ভূবনেশ্বর নদের মধ্যেই তৈরি করা হচ্ছে পাকা স্থাপনা। যেখানে পাকা স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে সেই জায়গার মালিক কি ঐ স্থাপনাকারী? নাকি বাংলাদেশ সরকার?
এই নিয়ে এলাকায় চলছে জল্পনা কল্পনা।
কেউ বলছেন যেখানে বিল্ডিং নির্মান করা হচ্ছে সেই জাগয়ার মালিক স্থানীয় এক সেনাসদস্য, আবার কেউ বলছেন ঐ জায়গার মালিক বাংলাদেশ সরকার। কারণ ঐ জায়গাটা ভূবনেশ্বর নদের মধ্যে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে নদ নদীর মধ্যে ব্যক্তি মালিকানা জায়গা থাকে কিভাবে ? এই নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চলছে বিভিন্ন জম্পনা কল্পনা।
সদরপুর – কৃষ্ণপুর পাকা সড়কের কাটাখালি বেইলি ব্রীজের দক্ষিণ পাসেই নির্মান করা হচ্ছে এই পাকা স্থাপনা।
স্থানীয় জামাল বলেন, কিছুদিন পূর্বে ঠিক পাশেই একটি পাকা স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছিল কিন্তু ঐ জাগগাটি সরকারি জায়গা হওয়ার কারণে প্রশাসনের নির্দেশনায় ঐ স্থাপনাটির নির্মান কাজ বন্ধ রয়েছে। এলাকাবাসী চাপাস্বরে বলাবলি করছেন, স্থাপনা তৈরি করা ব্যক্তি একজন সেনাবাহিনীর লোক। তাই এ ব্যপারে কেউ কথা বলার সাহস পাচ্ছেননা।
তবে পাকা স্থাপনা নির্মানাধীন জায়গার প্রকৃত মালিক কে সেটা দেখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন এমন প্রত্যাসা তাদের। বিজ্ঞমহল মনে করছেন, বর্তমান সরকার ইতিমধ্যেই সদরপুরের বিভিন্ন খাল পুঃনখনন করে দখল মুক্ত করছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় সদরপুর উপজেলার জনসাধারণের সুবিধার্থে এই ঐতিহ্যবাহী ভূবনেশ্বর নদটি পুঃনখনন করে উন্মুক্ত করা হোক। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন এমনটাই প্রত্যাশা উপজেলাবাসীর।