জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ নাশকতাও সন্ত্রাসী মামলায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক না মোঃ নুরুল ইসলাম কে আটক করেছেন। সোমবার ১২ আগস্ট গভীর রাতে তার বাড়ী
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ৮ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ, হামলা ও মামলার ঘটনা চলমান রয়েছে। ক্রয়কৃত সম্পত্তির বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জমি বুঝিয়ে না দেওয়ায় মালিক নুরনবী
দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত মামলা দিয়ে হয়রানি, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো এবং সর্বশেষ ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মুক্তার হোসেন। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায়
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এ মামলা করেন বাসন থানা
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা হত্যা ও হত্যা চেষ্টার পৃথক দুই মামলায় সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনুসহ চারজনকে গ্রেপ্তার
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ১১ মাসে সারা দেশে পুলিশের বিরুদ্ধে ৭৬১টি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এসব মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৬৮ জন পুলিশ
চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদের বাসা থেকে দুই কোটি ২৫ লাখ টাকার চারটি চেক জব্দ করার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে
কক্সবাজাের টেকনাফে হত্যাসহ ২১টি মামলার পলাতক আসামি রোহিঙ্গা শীর্ষ সন্ত্রাসী শফি ওরফে শইফ্ফা ডাকাত’কে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গোলাবারুদ ও গ্রেনেডসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব সদস্যরা। র্যাব-১৫ এর গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানা যায়,কক্সবাজার
জামালপুর জেলার আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও মেষ্টা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নাজমুল হক বাবুকে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে নাশকতা মামলা ছিল । খবরটি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর সদর
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বহরমপুর গ্রামে গরু জব্দ করা নিয়ে সংঘর্ষে বিজিবির গুলিতে ৩ জননিহত ও ১৮ জন আহতের ঘটনার সাড়ে ৬ বছর পর আদালতে মামলা করেছেন এক কলেজছাত্র।সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের বিচারক রাজিব কুমার রায় মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হরিপুর উপজেলার বেতনা বিওপির নায়েক মো. হাবিবুল্লাহ (৩৭), নায়েক দেলোয়ার হোসেন (৩৫), সিপাহী হাবিবুর রহমান (৩৫), সিপাহী মুরসালিন (৩৭), সিপাহী বায়রুল ইসলাম (৩৩), নায়েক সুবেদার জিয়াউর রহমানসহ (৪০) অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনের নামে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী আব্দুল কাশেম (২৫) হরিপুর উপজেলার রুহিয়া গ্রামের মো. আমিরুলের ছেলে এবং হরিপুর সরকারি মোসলেমউদ্দিন কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) দাবি, ভারতীয় গরু জব্দ করায় সশস্ত্র চোরাকারবারিরা হামলা করলে তারা গুলি চালাতে বাধ্য হন। আর গ্রামবাসী বলছে, বৈধ কাগজ থাকার পরও বিজিবি সদস্যরা গরু নিয়ে যাচ্ছিল। তার প্রতিবাদ করায় বিজিবি গুলি চালায়। তাদের গুলিতে হরিপুর উপজেলার বকুয়া ইউনিয়নের রুহিয়া গ্রামের নজরুলের ছেলে দিনাজপুর সরকারি কলেজের ছাত্র মো. নবাব (২৬), একই গ্রামের জহির উদ্দীনের ছেলে মো. সাদেক (৩৬) ও বহরমপুর গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র জয়নুলসহ (১২) তিনজন নিহত ও ১৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বহরমপুর গ্রামের হুকুম হাজীর ছেলে হবিবর রহমান ২টি গরু ও রুহিয়া গ্রামের নাজিম ৩টি গরু জাদুরানী হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। ওই সময় বেতনা সীমান্ত ফাঁড়ির বিজিবি সদস্যরা গরুগুলো আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যাচ্ছিল। বৈধ কাগজ থাকা সত্ত্বেও কেন গরুগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা জানতে চাইলে বিজিবি সদস্যরা তাদের পেটে রাইফেলের নল ঠেকায়। এ দৃশ্য দেখে গ্রামবাসী প্রতিবাদ করে। এ সময় বিজিবির সদস্যরা উত্তেজিত হয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করতে শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই নবাব, সাদেক ও জয়নুল মারা যান। তবে এই ঘটনায় তৎকালীন জেলা প্রশাসক কেএম কামরুজ্জামান সেলিম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, চোরাই গরু ঢুকেছে সন্দেহে বিজিবি অভিযান চালায়। তারা বেশ কয়েকটি গরু জব্দ করে। এ সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে বিজিবির সংঘর্ষ বাধে এবং গুলিতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় তিনি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শীলাব্রত কর্মকারের নেতৃত্বে একটি তদন্ত টিম গঠন করে দিয়েছিলেন। মামলার বাদী মো. আবুল কাশেম জানান, সেদিন আমি এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলাম। যাওয়ার পথে রাস্তায় দেখি বিজিবি ও গ্রামবাসীর মধ্যে গরু আটক নিয়ে বাগবিতণ্ডা চলছিল। এমন সময় হঠাৎ করে বিজিবির ছোড়া গুলি আমার ডান চোখে এসে লাগে। ওই ঘটনায় ৩ জন নিহতসহ ১৮ জন আহত হন। আমরা বেশ কয়েকবার থানায় মামলা করতে গিয়েছিলাম কিন্তু আমাদের মামলা নেয়নি পুলিশ। উল্টো আমাদের বিরুদ্ধেই ২টা মামলা করেন বিজিবি। তাদের মামলায় আমি দুইবার জেলও খেটেছি।