ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোটের দিন বুথ ব্যবস্থাপনায় শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। তাদের আশঙ্কা, কৃত্রিম লাইন তৈরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভোটে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি
নির্বাচনের আগে, চলাকালীন ও পরবর্তী সময়ে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, এ দায়িত্ব পালনে কোনো গণমাধ্যমকে বাধা দেওয়া হবে না।
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং পৃথিবীর কোনো শক্তিই এ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর)
আইজিপি বাহারুল আলম বলেছেন, আগামী নির্বাচনে নিরাপত্তা প্রদানের কাজ হবে পুলিশের জন্য ঐতিহাসিক পরীক্ষা। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় নির্বাচন কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ উর রহমান মনে করেন, দীর্ঘ বিরতির পর এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সর্বশেষ এরশাদের আমলে ডাকসু নির্বাচনে
ডাকসু নির্বাচনের ভিপি প্রার্থী শামীম হোসেন নিরাপত্তাহীনতা ও সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের ইংরেজি
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া মন্তব্য করেছেন, যারা আগে ডিসেম্বরে নির্বাচন চেয়েছিল, তারা এখন তা পেছানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি বলেছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত ‘সাদী-বৈশাখী-সাজ্জাদ-ইকরা পরিষদ’ তার ৮ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে। ‘প্রতিশ্রুতি নয়, পরিবর্তনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইশতেহারে শিক্ষার মান উন্নয়ন, গবেষণা, নারী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ার আগ পর্যন্ত তাদের আন্দোলন থামবে না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারে পোস্টারের ব্যবহার একেবারেই নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিক, পিভিসি বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো উপাদান দিয়ে লিফলেট, ব্যানার, ফেস্টুন তৈরি করা যাবে