1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
রবি ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী – দৈনিক দেশেরকথা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের টোল প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল উপসাগরীয় ৬ দেশ বিমানের বহর সম্প্রসারণে ১৪টি বোয়িং কিনছে সরকার, বৃহস্পতিবার বড় চুক্তি সই শ্রীপুরে পানিবন্দী ২০ পরিবারকে রক্ষায় এগিয়ে এলেন বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেন সরকার কিশোরগঞ্জে ভিসা প্রলোভনে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আকাশের বিরুদ্ধে  সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত, গেজেট প্রকাশ বৃহস্পতিবার প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি, ভূবনেশ্বর নদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে পাকা স্থাপনা এনআইডি আবেদনে এসএসসি সনদ আপলোড বাধ্যতামূলক করল নির্বাচন কমিশন স্বাক্ষর জালিয়াতি করে তেল উঠানোর সময়  দুই যুবকের জরিমানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের কৃষিমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, কৃষি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হাম প্রতিরোধে বাংলাদেশকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ইউরো সহায়তা দেবে ইইউ

রবি ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী

ইবতেশাম রহমান সায়নাভ
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

:
২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী। কলকাতার বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে জোড়াসাঁকোর বাড়িতে কবির জন্ম ১২৬৮ বঙ্গাব্দে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সরদা সুন্দরী দম্পতির চতুর্দশ সন্তান। তিনি একাধারে বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে “গুরুদেব”, “কবিগুরু” ও “বিশ্বকবি” অভিধায় ভূষিত করা হয়।

মনুষ্যত্বের বিকাশ, মানবমুক্তি ও মানবপ্রেম ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনবোধের প্রধান পাথেয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। কবি বিশ্ব পরিমণ্ডলে বাংলা সাহিত্যকে স্বমহিমায় উদ্ভাসিত করেছিলেন। পূর্ববঙ্গের সঙ্গে ছিল কবির গভীর সম্পর্ক। পূর্ববঙ্গের দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা ও মানবসমাজ সম্পর্কে উপলব্ধি তাঁর সাহিত্যে গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের জীবন ও সাহিত্যের মধ্যেই আমরা পেতে পারি মানসিক শান্তি ও কাঙ্ক্ষিত অনুপ্রেরণা।

তিনি তার ‘ছিন্নপত্রে’ লিখেছেন- তিনি তার আত্মীয়দের সঙ্গে বাংলাদেশে যদি না আসতে পারতেন, তবে হয়তো তার ‘গীতাঞ্জলি’র মতো মহা মূল্যবান কাব্য রচনা করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতেন। যা পরবর্তীকালে তাকে সাহিত্যের জন্য সবচেয়ে বড় স্বীকৃতিস্বরূপ ‘নোবেল পুরস্কার’ অর্জনের গৌরব এনে দেয়।

তাঁর লিখা যোগের পর যোগ অতুলনীয় হয়ে থাকবে বিশ্বের পাঠকের কাছে। উনার প্রতিটি লিখনীতে শব্দের ব্যবহার খুবই চমৎকার। আমার মনে হয় উনার বইতে যে ভাবে শব্দের ভান্ডার খোঁজে পাওয়া যায় অন্য কারো লেখনীতে খোঁজে পাওয়া খুবই দুস্কর।

ইবতেশাম রহমান সায়নাভ
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ,
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park