1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
রাজাপুরে ৬ শিক্ষক কর্মরত বিদ্যালয়ে উপস্থিত মাত্র ১ জন, একই কক্ষে ৩ শ্রেণির পরীক্ষা !  – দৈনিক দেশেরকথা
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জমকালো আয়োজনে কুয়েটে শুরু তিন দিনব্যাপী জাতীয় মেকানিক্যাল ফেস্টিভ্যাল ‘ইগনিশন-২০২৬’ ৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্কসংকেত ইরানের নেতৃত্ব নিয়ে ট্রাম্পের দাবি ‘ভিত্তিহীন’, পাল্টা অবস্থানে তেহরান ডাকসু নেতাদের ওপর হামলা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিব নাজিরপুরে নিখোঁজ হওয়া ব্যবসায়ীর লাশ মিলল ঢাকায় চকরিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ ও ডাটা এন্ট্রি বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নাজিরপুরে ডাকাতির ঘটনায় দলের সর্দার গ্রেফতার কুমিল্লার লালমাই নেশার টাকা না পেয়ে বাবার সঙ্গে বাক-বিতন্ডা, অবশেষে বাবার হাতে মাদাকাসক্ত ছেলে খুন নবীনগরে ‘বি স্ট্রং’ প্রকল্পের বীজ প্রযুক্তি গ্রাম মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বন্দরে এমআর ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা, পালিত হলো জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ

রাজাপুরে ৬ শিক্ষক কর্মরত বিদ্যালয়ে উপস্থিত মাত্র ১ জন, একই কক্ষে ৩ শ্রেণির পরীক্ষা ! 

মো. নাঈম হাসান ঈমন
  • প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের ১০৩ নং এস ইসলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬ জন শিক্ষক থাকলেও বিদ্যালয়ে উপস্থিত মাত্র একজন শিক্ষক। তিনিই একাই একটি শ্রেণিকক্ষে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পরীক্ষাকক্ষে উপস্থিত ছিলেন তৃতীয় শ্রেণির ১ জন, চতুর্থ শ্রেণির ৫ জন এবং পঞ্চম শ্রেণির ৪ জন শিক্ষার্থী। একাই দায়িত্ব পালন করছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক ওরফে দুলাল।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক রেজাউল করিম প্রশিক্ষণে, শারমিন আক্তার ডেপুটেশনে, আবুল বাশার তালুকদার ও দিতী বেপারী ছুটিতে রয়েছেন। তবে তাদের ছুটির তথ্য হাজিরা খাতায় উল্লেখ নেই। অপর শিক্ষক খলিলুর রহমান বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকলেও সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে পরে চলে আসেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, বিদ্যালয়টি কার্যত শিক্ষার পরিবেশ থেকে অনেক দূরে। নামমাত্র শিক্ষার্থী থাকলেও উপবৃত্তি ও কাগজে-কলমে শতভাগ উপস্থিত দেখানো হয়। তবে নিয়মিত হাতে গোনা ৫ থেকে ৮ জন শিক্ষার্থী ক্লাসে। এটাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলে মনে হয় না কারন এখানে শিক্ষক আছে তবে তেমন কোন শিক্ষার্থী নেই। প্রতিদিন শিক্ষকরা সকালে স্কুলে এসে হাজির দেয় এরপর ছুটির সময় শেষ হওয়ার আগেই বাড়িতে চলে যায়। অভিযোগ রয়েছে, অডিটের সময় পার্শ্ববর্তী নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের এনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে প্রদর্শন করা হয়।

বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুপুর ১টা বাজে চলে আসেন সহকারী শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান। দুপুর ১টায় বিদ্যালয়ে আসার কথা জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, স্ত্রী অসুস্থ থাকায় প্রধন শিক্ষককে মুঠোফোনে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ে আসতে দেরি হবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক ওরফে দুলাল বলেন, “বিদ্যালয়ে ৫২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, এর মধ্যে ২২ জন পরীক্ষা দিচ্ছে। শিক্ষক সংকট রয়েছে, একজন প্রশিক্ষণে, একজন ডেপুটেশনে, দুজন ছুটিতে ও একজনের স্ত্রী অসুস্থ হওয়ায় দেরিতে এসেছেন।” তিন দিন ধরে নিয়মিত হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না থাকায় প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “ভুল হয়েছে, পরে ঠিক করে নিবো।”

এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আকতার হোসেন বলেন, ওই বিদ্যালে ৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এরকম উপজেলায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। এগুলো কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিতে বললে নেওয়া হবে। ৬ জন শিক্ষকদের মধ্যে কেন ১জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন এর জন্য প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হবে।

এমন দায়িত্বহীনতা ও অনিয়মে প্রশ্ন উঠেছে প্রাথমিক শিক্ষার মান এবং বিদ্যালয় পরিচালনায় তদারকির অভাব নিয়ে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park