নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ভাটিরটেক চৌমুহনী বাজারে একটি বাণিজ্যিক জমির মালিকানা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত ‘বিভ্রান্তিকর’ সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির প্রকৃত রেকর্ডীয় মালিক ও স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগ উঠেছে, ‘নয়া পৃথিবী’ নামক একটি ফেসবুক পেজে দালিলিক সত্য গোপন করে একপক্ষীয় তথ্য প্রচারের মাধ্যমে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
দালিলিক সত্য বনাম অভিযোগ:অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিএস ৫৩০৪ দাগের অন্তর্গত ২ শতাংশ জমির বর্তমান বৈধ মালিক মো. মহসিন। তিনি গত ০২/১১/২০২৫ তারিখে ১২৩৬১ নম্বর সাব-রেজিস্ট্রি দলিলের মূলে এই জমি ক্রয় করেন। ইতিমধ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে নামজারি (খতিয়ান নং ২৫-৪৯৪১) সম্পন্ন করে নিয়মিত সরকারি খাজনাও পরিশোধ করে আসছেন তিনি।
সীমানা রহস্য: দলিলের নকশা ও ১২ নম্বর কলাম অনুযায়ী, উক্ত জমির পূর্ব পাশে সরাসরি সরকারি পাকা রাস্তার (জেলা প্রশাসকের ১/১ খতিয়ানভুক্ত) অবস্থান। উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে যথাক্রমে ছায়েদুল হক, মো. সুমন ও নূর নবী শিকদারের জমি রয়েছে। দলিলে বর্ণিত এই সীমানার কোথাও অভিযোগকারী নুর মোহাম্মদ মিয়ার কোনো স্বত্ব বা মালিকানার উল্লেখ নেই।
চরিত্র হননের চেষ্টা: এলাকাবাসীর দাবি, প্রকাশিত সংবাদে শান্তিপ্রিয় ব্যক্তিদের রাজনৈতিক তকমা দিয়ে ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, যা মূলত ‘চরিত্রহনন’। স্থানীয় সমাজসেবক অলি উদ্দিন মিলনসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগকে প্রকৃত সত্য থেকে মানুষের দৃষ্টি ফেরানোর অপকৌশল হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, নুর মোহাম্মদ মিয়া নিজের স্বপক্ষে কোনো হালনাগাদ রেকর্ড দেখাতে না পেরে গণমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন।
আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি: প্রতিবাদকারীরা সাফ জানিয়েছেন, “দালিলিক প্রমাণ যার পক্ষে, মালিকানা তার। যারা সাংবাদিকতাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে অন্যের ব্যক্তিগত সম্মান নষ্ট করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নলেজে রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে বলে তারা জানান।
ভবিষ্যতে এ ধরনের একপক্ষীয় ও ঈর্ষান্বিত সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট মাধ্যমকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।