1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
জেলের জালে ২২  মণ ইলিশ, আনন্দ ছড়াচ্ছে মৎস্য আড়ৎদে - দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাদুরতলা স্পোর্টিং ক্লাবের শুভ উদ্বোধন ঝালকাঠির বাসন্ডা ব্রীজটি বার্ধক্যের ভারে যেন মরন ফাঁদ সদরপুরে মৎস্য আইনে মোবাইল কোর্ট,বাধ সহ ২৭ টি চায়না দোয়ারি ধ্বংস  রায়পুরে ডাকাতিয়া নদী পরিস্কার কর্মসূচীর উদ্বোধন সদরপুরে ৪ কেজি গাঁজা সহ ব্যবসায়ী কে আটক করেছে ডি বি পুলিশ  চীনের সাথে ৭টি প্রকল্প ও ২১ একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী ঝালকাঠিতে মাছ ধরার ফাঁদ তৈরীতে ব্যস্ত কারিগররা। চীন সফর শেষে বুধবার দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্নফাঁস:পিএসসির ৩ কর্মকর্তাসহ ১০ জন কারাগারে কোটা নিয়ে সব পক্ষের বক্তব্য শুনে ন্যায়বিচার করবে আদালত: আইনমন্ত্রী

জেলের জালে ২২  মণ ইলিশ, আনন্দ ছড়াচ্ছে মৎস্য আড়ৎদে

জাহিদুল ইসলাম জাহিদ 
  • প্রকাশ রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৪

 92 বার পঠিত

কপাল খুলতে সময় লাগে নি কলাপাড়া মহিপুরের জেলের সূর্য মাঝির।তার এক জালে ধরা পড়েছে ২২০ মন ইলিশ। শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে মৌডুবি এলাকা থেকে পূর্ব-দক্ষিন ৪০ কিলোমিটার গভীরে মাছগুলো পান এফবি আল্লাহর দয়া-১ নামের একটি ট্রলারে। সমুদ্রে জাল টানতেই দেখা যায় পুরো জালে আটকে আছে রুপালি ইলিশে।সাধারনত, জেলেরা জাল থেকে মাছ আলাদা করে বরফ দিয়ে সংরক্ষন করে বিক্রির জন্য তীরে নিয়ে আসে কিন্তু সূর্য মাঝির জালে মাছের পরিমাণ এতো বেশী ছিল যে তিনি কিছু মাছ আলাদা করে এক পর্যায় জালসহ ট্রলারে মাছের স্তুপ করে তাতেও সংরক্ষণ করা না গেলে পাশে থাকা ট্রলারকে জালের একাংশ কেটে জালসহ মাছ দিয়ে তীরে চলে আসেন ওই মাঝি।

গত শনিবার (৬ এপ্রিল) মৎস্য বন্দর আলীপুরে ট্রলার নিয়ে মাছ বিক্রির উদ্দেশ্যে আসেন তারা। পরে জালে আটকানো মাছগুলোকে আলাদা করে বিক্রি উদ্দেশ্যে আলীপুরের খান ফিসে নিলামের মাধ্যমে মাছ বিক্রি শুরু করেন। রবিবার সকাল ১১টায় এই মাছ বিক্রি শেষ হয়। বছরের সবচেয়ে বেশী মাছ পাওয়া এই ট্রলারটি বাশখালীর হাজী আহম্মদ শফী কোম্পানীর মালিকানাধীন। বাশখালীর হলেও এই ট্রলারগুলো মাছ বিক্রি করতে আলীপুর-মহিপুর বন্দরে আসে। 

সূর্য মাঝির সাথে কথা হয়  তিনি জানান, ওইদিন সমুদ্রে বের হয়ে জাল ফেলতেই অসংখ্য মাছ আটকা পরে। অতিরিক্ত মাছ আটকানোর কারনে আমরা পুরোপুরি নিয়ে আসতে পারিনি। তবে যে পরিমান মাছ অন্য ট্রলারকে দিয়ে আসছি সেখানে প্রায় পাঁচ হাজার পিচ মাছ রয়েছে সেখানে অনন্ত ৫০ মণ মাছ হবে। আর আমরা তীরে যা নিয়ে আসছি সেগুলো থেকে বরফ সংকটের কারনে প্রায় ২০ মন মাছ পচে নষ্ট হয়ে গেছে আর ১৫০ মন মাছ বিভিন্ন দামে বিক্রি করেছি। মাছগুলো একদম তাজা না থাকার কারনে কাঙ্খিত দাম পাইনি যা পেয়েছি তাতে ৩৫ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা দাম হবে। এই বছরের সবচেয়ে বেশী মাছ পেয়ে আমরা এবং আমাদের কোম্পানিও অনেক খুশী।

খান ফিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আ. রহিম খান জানান, বাশখালীর এই ট্রলারটি আমার আড়তে মাছ বিক্রি করে। ট্রলারটিতে এই বছরে সবচেয়ে বেশী মাছ পেয়েছে। এখানে ১০টি দামে মাছ বিক্রি হয়েছে অর্থ্যাৎ ছোট, বড়, মাঝারি এবং মানের দিক দিয়ে বিভিন্ন দাম পেয়েছে। মাছগুলো সর্বোনি ৫ হাজার ৬০০ টাকা মণ থেকে সর্বোচ্চ পয়ত্রিশ হাজার টাকা মণ বিক্রি হয়েছে। আর মাছগুলো আলীপুর-মহিপুরের পাইকাররা ৫মণ ১০মণ করে কিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়েছে। সামনে বৈশাখ থাকায় ভালোদাম পাওয়া যাবে।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আশিকুর রহমান বলেন, সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালনের একটি সুফল হিসাবে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে জেলিফিশটা কমে গেছে আর আবহাওয়া অনুকুলে থাকার কারনে এই বছরের সবচেয়ে বেশী মাছ এই মাঝির জালে মিললো। তিনি জানান, আগামী ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সমুদ্রে মাছ ধরা নিষেধ। সে পর্যন্ত এরকম জেলেরা মাছ পাওয়ার আশা করছেন তিনি। এ ছাড়া ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৮ মাস জাটকা ধরা নিষেধ। তবে এ সময় বড় ইলিশ ধরা যাবে। অপর দিকে পূর্ণিমার ওপর নির্ভর করে আশ্বিন-কার্তিক মাসে সরকার ঘোষিত ২২ দিন পর্যন্ত মা-ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২২-২০২৩ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park