স্টাফ রিপোর্টার : ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে যেন রোগীর ছড়াছড়ি। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন কুষ্টিয়া সহ আশেপাশের আরো কয়েকটি জেলা যেমন মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, ও রাজবাড়ী জেলার জনগোষ্ঠী ।
অতিরিক্ত রোগীর চাপে রোগীরা পায়না ঠিক মতো বেড, বাধ্য হয়ে রোগীকে থাকতে হয় নিচে বারান্দায়। বারান্দায় থেকে রোগীদেরকে দিনে ও রাতে সমানে বাধ্য হয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে হয়।
রোগীরা বারান্দায় থাকার কারণে শীতের সময় প্রচুর পরিমাণ ঠান্ডা লেগে রোগী আরো অসুস্ত হয়ে যায় যার ফলে চরম ভোগান্তীতে পরে রোগীসহ স্বজনরা এবং গরমের সময় গরম ও রদ্রের তাপ সহ্য করতে হয়
বারান্দাতে বৈদ্যুতিক পাখা থাকলেও পাখা আছে সেই ছাদের ধারে। বৈদ্যুতিক পাখা ১ অথবা ২ ফুট নামানো থাকলে রোগীরা বাতাস পেত। বৈদ্যুতিক পাখা উঁচুতে থাকার কারণে রোগীরা ঠিকমতো ফ্যানের বাতাস পায় না। বাধ্য হয়ে রোগীদের চার্জার ফ্যান অথবা হাত পাখা ব্যবহার করতে হয় ।
রোগের স্বজনরা বাড়ী থেকে বৈদ্যুতিক টেবিল ফ্যান নিয়ে আসলেও এখানে ঠিকমতো পাওয়া যায় না বৈদ্যুতিক সংযোগ। বারান্দার প্রতিটা পিলারে বৈদ্যুতিক সকেট থাকলে রোগীর স্বজনদের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা টেবিল ফ্যান ব্যবহার করে কিছুটা শান্তিতে থাকতে পারতো রোগীরা ।
উল্লেখিত সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানিয়েছেন রোগীসহ স্বজনরা হাসপাতালের বারান্দার প্রতিটা পিলারে একটি করে সকেটের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য।