1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
কিশোরগঞ্জে ফসল সুরক্ষায় কৃষকের পরম বন্ধু কাকতাড়ুয়া – দৈনিক দেশেরকথা
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনে  আলোচনা সভা  মধ্যপ্রাচ্যের ৪ রুটে বিমানের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ধর্মপাশার পাইকুরাটি ইউনিয়নে অসহায় বৃদ্ধা কেন্ত বালার মানবেতর জীবনযাপন, সহায়তার আবেদন নৌ-পুলিশ প্রধানসহ ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে উঠে উন্নয়ন কাজ করতে হবে — গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী হাদি হত্যা মামলার দুই আসামী ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছে, তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার কাজ করছে,,,  কক্সবাজারে সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সৌদিআরবে মিসাইল হামলায় কটিয়াদীর বাচ্চু নিহত, এলাকা শোকস্তব্ধ,প্রশাসনের সহযোগিতার আশ্বাস উজবেকিস্তানের বিপক্ষে এক গোলে পিছিয়ে বিরতিতে বাংলাদেশ জ্বালানি তেল নিয়ে জরুরি নির্দেশনা, সব ডিসি অফিসে চিঠি সড়কে ট্রাক চাঁপায় স্কুল শিক্ষক নিহত

কিশোরগঞ্জে ফসল সুরক্ষায় কৃষকের পরম বন্ধু কাকতাড়ুয়া

আনোয়ার হোসেন
  • প্রকাশ শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
দৈনিক দেশেরকথা
কিশোরগঞ্জে ফসল সুরক্ষায় কৃষকের পরম বন্ধু কাকতাড়ুয়া


কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি> পাখি তাড়ানোসহ ফসল সুরক্ষায় কাকতাড়ুয়া ব্যবহার আদিকাল থেকে।এক সময় ফসলের মাঠে কাকতাড়ুয়া ব্যবহার ছিল চোখে পড়ার মত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে কৃষি চাষাবাদ পদ্ধতি।তবুও নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ফসল সুরক্ষায় কৃষকের পরম বন্ধু কাকতাড়ুয়া।ফসল সুরক্ষায় কাকতাড়ুয়ার ব্যবহার নিয়ে কৃষিভিত্তিক কোন দালিলিক প্রমাণ বা ভিত্তি নেই।

প্রবাদ আছে বিশ্বাসে বস্তু মেলে তর্কে বহুদূর।বিশ্বাসের জায়গা থেকে উপজেলার কিছু কৃষক বিভিন্ন ফল ফসলে পাখি,নিশাচর প্রাণী,ইঁদুর তাড়ানোসহ মানুষের কু-দৃষ্টি থেকে রক্ষায় সনাতন পদ্ধতি কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করে আসছেন।শুক্রবার (২সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে মাঠের পর মাঠ আমন ধানের ক্ষেত। হঠাৎ দু-একটি ধানের  জমিতে চোখে পড়ে কাকতাড়ুয়া।

দূর থেকে দেখে মনে হয় কেউ জমিতে দাঁড়িয়ে আছে।এসময় কাকতাড়ুয়া ব্যবহারকারী চাঁদখানা ইউপির নগরবন গ্রামের আরিফ ও পুটিমারী ঝাকুয়া পাড়া গ্রামের মানিক জানান,ফসল ভাল হলে মানুষ ঈর্ষা করে বিষচোখ বা কু-নজর পড়ে।এতে ফলন কমে যায়।এ কু-নজর এড়াতে ফসলের মাঠে মানুষের  অবয়বে কাকতাড়ুয়া দন্ডায়মান করে রাখা হয়। দুর থেকে দেখলে  মনে হয় মানুষ দাঁড়িয়ে আছে।যা প্রথম দর্শনে মানুষের  নজর সেখানে আটকে যায়।যা ফসল সুরক্ষা থাকে।

পাশাপাশি বিভিন্ন ফল ফসল,বীজতলায় ইঁদুর,পাখ-পাখালি ও নিশাচর প্রাণীর অবাধ বিচরণ  রোধে কাকতাড়ুয়া পাহারাদার হিসেবে  মানুষের  ভূমিকা পালন করে।এরা মানুষ ভেবে ফসলের মাঠে প্রবেশ করতে ভয় পায়। কিন্তু কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে এ সনাতন পদ্ধতি। এখন কৃষক আধুনিক পদ্ধতির রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে ফসল চাষাবাদ এবং রোগবালাই দমন করে।তবে পূর্বপুরুষের রেখে যাওয়া সনাতন কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করছি ফসল রক্ষার জন্য।কাকতাড়ুয়া আবহমান বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য বহন করে। উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান জানান,আগে আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ছিল না। তাই কৃষকরা ফসল ফলাতে নানা পদ্ধতি ব্যাবহার করত। এখন বিজ্ঞানের যুগ সবকিছুই আধুনিক হচ্ছে।কৃষির উন্নয়নে নানা প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তবে কাকতাড়ুয়ার মতো সনাতন পদ্ধতিগুলো এখনো কোনো কোনো কৃষক ব্যবহার করেন।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park