1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
সেহরির সময় আজান দিলে রোজা হবে কি? – দৈনিক দেশেরকথা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের টোল প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল উপসাগরীয় ৬ দেশ বিমানের বহর সম্প্রসারণে ১৪টি বোয়িং কিনছে সরকার, বৃহস্পতিবার বড় চুক্তি সই শ্রীপুরে পানিবন্দী ২০ পরিবারকে রক্ষায় এগিয়ে এলেন বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেন সরকার কিশোরগঞ্জে ভিসা প্রলোভনে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আকাশের বিরুদ্ধে  সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত, গেজেট প্রকাশ বৃহস্পতিবার প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি, ভূবনেশ্বর নদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে পাকা স্থাপনা এনআইডি আবেদনে এসএসসি সনদ আপলোড বাধ্যতামূলক করল নির্বাচন কমিশন স্বাক্ষর জালিয়াতি করে তেল উঠানোর সময়  দুই যুবকের জরিমানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের কৃষিমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, কৃষি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হাম প্রতিরোধে বাংলাদেশকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ইউরো সহায়তা দেবে ইইউ

সেহরির সময় আজান দিলে রোজা হবে কি?

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬


রমজান মাসে সেহরি ও ইফতারকে ঘিরে মুসলমানদের মাঝে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো—সেহরি খাওয়ার সময় যদি ফজরের আজান শুরু হয়ে যায়, তাহলে কি রোজা হবে? বিষয়টি নিয়ে ইসলামি শরীয়তে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

ইসলামে রোজা শুরু হয় ফজরের সাদিক তথা সুবহে সাদিক উদয়ের সঙ্গে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন, “তোমরা পানাহার করো যতক্ষণ না সাদা সূতা কালো সূতা থেকে পৃথকভাবে প্রতিভাত হয় (অর্থাৎ ফজরের আলো প্রকাশ পায়), তারপর রাত পর্যন্ত রোজা পূর্ণ করো।” অর্থাৎ ফজরের সময় শুরু হয়ে গেলে পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

সাধারণত আমাদের দেশে ফজরের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আজান দেওয়া হয়। তাই যদি আজান শুরু হওয়ার পরও কেউ খেতে থাকেন, তাহলে বিষয়টি সময়ের ওপর নির্ভর করবে। যদি নিশ্চিতভাবে ফজরের সময় শুরু হয়ে যায় এবং এরপরও খাওয়া চালিয়ে যান, তবে সে দিনের রোজা সহিহ হবে না; পরবর্তীতে কাজা করতে হবে। তবে যদি সন্দেহ থাকে—আজান সময়ের আগেই দেওয়া হয়েছে কি না—এবং ব্যক্তি সময় শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত না হন, তাহলে তার রোজা হয়ে যাবে।

ফকিহদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যদি কারও মুখে খাবার থাকে আর ঠিক তখনই আজান শুরু হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তা গিলে না ফেলে মুখ থেকে বের করে ফেলাই উত্তম। কারণ সময় শুরু হয়ে গেলে রোজা আরম্ভ হয়ে যায়।

অতএব, সেহরির ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগেই খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করা নিরাপদ। এতে সন্দেহ বা ভুলের সম্ভাবনা থাকে না এবং রোজাও নিশ্চিন্তে আদায় করা যায়।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park