আগামী দুই মাস দেশের জ্বালানি সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে, যা চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্ষম।
বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন ডিজেল, ৩১ হাজার ৮২১ মেট্রিক টন অকটেন, ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রতি মাসেই জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হচ্ছে এবং এপ্রিল মাসেও তা করা হয়েছে। আগামী মাসের দাম পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র বলেন, পেট্রোল পাম্পে ঢাকায় কিছুটা ভিড় দেখা গেলেও দেশের অন্য এলাকায় এমন সমস্যা নেই। তিনি বলেন, আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি কেনার প্রয়োজন নেই, সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি আরও জানান, শিল্প খাতে ডিজেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। বেসরকারিভাবে প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, মার্চ ও এপ্রিল মাসে কিছু ক্রুড অয়েল আসতে দেরি হলেও এপ্রিল বা মে মাসের শুরুতে সৌদি আরব থেকে বিকল্প রুটে জ্বালানি তেল দেশে পৌঁছাবে। এছাড়া ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বছরে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি পরিশোধন করা হয়, যা দেশের মোট চাহিদার একটি অংশ পূরণ করে।