পিরোজপুরের নাজিরপুরের কলারদোয়ানিয়া গ্রামে ডাকাতির ঘটনায় গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে মাদারীপুর থেকে ডাকাত দলের সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিরোজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কল) নাসরিন জাহান।
গ্রেফতার কৃত ডাকাত সর্দার আব্দুল আজিজ ফরাজী (৫৭) বরিশাল জেলার বানরীপারা উপজেলার ০১ নং পশ্চিম ইলুরহাট গ্রামের জালাল ফরাজীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানাযায়, গতকাল বুধবার তথ্য প্রযুক্তির ও র্যাব এর সহায়তা মাদারীপুর দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে নাজিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তরিকুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই সুমন নেতৃত্বে একটি টিম গত রাত ১০ টায় আসামী আজিজকে নাজিরপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ আরো জানায়, ডাকাতির ঘটনায় ৯ সদস্যের একটি আন্তঃজেলা ডাকাত টিম ঘটনাস্থলে আসেন। তাদের মধ্যে ৭ জন নাজমুল বাহাদুরের বাড়ি আসেন অন্য দুইজন তাদের ব্যবহারিত ট্রলারে ছিলেন। দুলাল রাড়ী নামের ডাকাত গনপিটানুর ঘটনা ঘটলে অন্য ডাকাতরা স্থানীয়দের টের পেয়ে ফাঁকা গুলি করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন জাহান জাহান বলেন, গত ১৯ এপ্রিল রাত আনুমান দেড়টার দিকে নাজিরপুর থানা দিন কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের বাড়িতে একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়। ডাকাতির চেষ্টা কালে গণপিটানিতে দুলাল রাডী নামের এক ডাকাতের মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় ডাকাত দুলালকে আমরা হাসপাতালে নিয়ে আসি হাসপাতালে ভর্তির পরে তিনি মারা যান। এই ঘটনা উদঘাটনের জন্য আমরা তদন্ত শুরু করি।
বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি ও পিরোজপুর পুলিশ সুপার স্যারদের নির্দেশনায় ইতিমধ্যে ঘটনা সত্যতা উদঘাটন করতে পেরেছি। এই ঘটনায় মোট ৯ জন ব্যক্তি ছিল। ডাকাতি করতে আসার সময় একটি ট্রলার নিয়ে আসা হয়েছিল দুইজন ট্রলারে থাকে বাকি ৭ জন ঘটনাস্থলে আসেন। আমরা ইতিমধ্যে একজনকে মাদারীপুর থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসছি তথ্য প্রযুক্তির ও র্যাবের সহায়তায় তার নাম আব্দুল আজিজ ফরাজী। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ, গত ১৯ এপ্রিল পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ডাকাতির চেষ্টা কালে বাড়ির মালিক ও স্থানীয়দের গনপিটানুতে এক ডাকাত নিহত হয় এবং বাড়ির মালিকসহ তার ছেলে গুরুতর আহত হন।