রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ জনে। দুর্ঘটনার পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও বিভিন্ন হাসপাতালে এখনো মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন অন্তত ৫০ জন।
শুক্রবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, নিহতদের মধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা গেছেন ১৫ জন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১৫ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন, লুবনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে ১ জন (যার পরিচয় এখনও নিশ্চিত নয়) এবং ইউনাইটেড হাসপাতালে ১ জন।
তিনি জানান, “অনেকেই হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই প্রাণ হারিয়েছেন। আবার কেউ কেউ দীর্ঘসময় ধরে চিকিৎসাধীন থেকে মারা গেছেন। সর্বশেষ দুপুর ১টার দিকে বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা যান মাকিন নামের এক শিক্ষার্থী।”
মাকিন গাজীপুর জেলার কোনাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে। দুর্ঘটনার সময় তিনি ক্লাসে উপস্থিত ছিলেন।
এই দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে অনেকেই চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন। তবে এখনও ৫০ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে ৪০ জন রয়েছেন বার্ন ইনস্টিটিউটে, ৮ জন সিএমএইচে এবং ১ জন করে ভর্তি রয়েছেন শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই সকালে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনের ওপর বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার সময় ক্লাস চলছিল। এতে বহু শিক্ষার্থী ও শিক্ষক হতাহত হন। এ ঘটনায় দেশজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া।