1. news.desherkotha.bd@gmail.com : ARIF KHAN : ARIF KHAN
  2. arifkhanjkt74@gmail.com : daynikdesherkotha :
  3. arifkhanhrd74@gmail.com : ARIF KHAN : ARIF KHAN
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
স্বরূপকাঠীতে অগ্নিকান্ডে বসতঘরসহ সর্বস্ব হারিয়ে মাথা গোজার আকুতি ঠাকুরগাঁওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের বাসায় ছাত্রলীগের উপহার পিরোজপুরের কাউখালীতে জমি জমা বিরোধকে কেন্দ্র করে চাচাকে পিটালেন ভাতিজা রাজাপুরে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি খুলনা বিভাগে একদিনে করোনায় আরো ৩৩ জনের মৃত্যু নিজের গুলির আঘাতে পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু আমার বঙ্গবন্ধু’ প্রতিযোগীতায় দেশ সেরা পুরস্কার পেলেন পিরোজপুরের চন্দ্রিকা মন্ডল পিরোজপুরের কাউখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক কিশোর নিহত অকোজো হয়ে পড়ে আছে রাণীশংকৈল হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী শ্রীবরদীতে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ

খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যুর নতুন রেকর্ড, গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৭১

নুরআলম, খুলনা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১
  • ৫৩ বার দেখেছেন

করোনার হটস্পট এখন খুলনা বিভাগ। বিভাগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হার এখন ঊর্ধ্বমুখী। প্রতিদিন ই নতুন সব রেকর্ডের স্বাক্ষী হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ। শনাক্তের হারের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোগীর মৃত্যুর হার। খুলনা বিভাগে আবারো রেকর্ড মৃত্যু করোনার। পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে সর্বোচ্চ ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৫৬ জনের। শুক্রবার (০৯ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ৭ জুলাই বিভাগে সর্বোচ্চ ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। কুষ্টিয়ায় ১৪ জন, যশোরে ৯ জন; ঝিনাইদহে ১০ জন, চুয়াডাঙ্গা ৬ জন, মেহেরপুরে ৫ জন, বাগেরহাটে ২ জন, নড়াইলে ১ জন ও মাগুরায় ১ জন করে মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৬৯ হাজার ১৮৭ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৪৮৭ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৪ হাজার ৭২৭ জন।

খুলনা করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, সীমান্তবর্তী জেলা এবং ভারত থেকে অনেক রোগী এবং লোক আসছেন। বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দর থাকার কারণে সকল রোগী খুলনা-সাতক্ষীরার উপর থেকে ট্রান্সপোর্ট হচ্ছে।

যার কারণে এই অঞ্চলে রোগটি ছড়িয়ে যাচ্ছে। হয়তো একজন লোক আসলেন এবং তিনি ছড়াতে ছড়াতে গেলেন। হয়তো এক সপ্তাহ পরে তার পজেটিভ আসলো। এ অঞ্চলের মানুষের অসচেতনতার কারণে রোগটি একটু বেশি ছড়াচ্ছে। সংক্রমণ গ্রাম পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

খুলনা সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, লকডাউনের আগেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল। যে কারণে শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে। লকডাউন অব্যাহত থাকলে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে অল্প সময়ের মধ্যে সংক্রমণ কমবে বলে তিনি আশাবাদী।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021
WEB DEVELOPMENT BY KB-SOFTWARES