1. news.desherkotha.bd@gmail.com : ARIF KHAN : ARIF KHAN
  2. arifkhanjkt74@gmail.com : daynikdesherkotha :
  3. arifkhanhrd74@gmail.com : ARIF KHAN : ARIF KHAN
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
স্বরূপকাঠীতে অগ্নিকান্ডে বসতঘরসহ সর্বস্ব হারিয়ে মাথা গোজার আকুতি ঠাকুরগাঁওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের বাসায় ছাত্রলীগের উপহার পিরোজপুরের কাউখালীতে জমি জমা বিরোধকে কেন্দ্র করে চাচাকে পিটালেন ভাতিজা রাজাপুরে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি খুলনা বিভাগে একদিনে করোনায় আরো ৩৩ জনের মৃত্যু নিজের গুলির আঘাতে পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু আমার বঙ্গবন্ধু’ প্রতিযোগীতায় দেশ সেরা পুরস্কার পেলেন পিরোজপুরের চন্দ্রিকা মন্ডল পিরোজপুরের কাউখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক কিশোর নিহত অকোজো হয়ে পড়ে আছে রাণীশংকৈল হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী শ্রীবরদীতে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থী এখন ভ্রাম্যমাণ চা বিক্রেতা

আনোয়ার হোসেন,কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
  • ১০৩ বার দেখেছেন
শিশু শিক্ষার্থী চা বিক্রেতা

করোনার নীল বিষে বিষাদময় করে তুলেছে মানুষের জীবনকে ! আর তা নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি নিষেধে চলছে লকডাউন।এতে ঘরবন্দি জীবনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ।

এই দুর্যোগময় মুহূর্তে পরিবারের আর ৪ জনের রুটি-রুজির সন্ধানে নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউপি’র কেশবা যুগি পাড়া গ্রামের ১২ বছরের শিশু শিক্ষার্থী বিজয় এখন ভ্রাম্যমাণ চা বিক্রেতা।যে সময়ে এলাকার আট-দশটা ছেলে পড়ার টেবিলে বসে বইয়ের পাতায় নিমগ্ন বা অবসরে পাড়ার ডানপিটে ছেলেরা খোশগল্পে মত্ত, ঠিক সে সময় বিজয় জীবিকার ঝান্ডা এক হাতে ফ্লাক্স ভর্তি চা,অন্য হাতে পানি ভর্তি বালতি আর বিস্কুটের ভইম। ছোট দুই কোমল হাতে ভারী ফ্লাক্স আর বালতি বয়ে নিতে হয় শিশুটিকে।

সরেজমিনে বিজয় জানান,দুই ভাই বোনের মধ্যে সে সবার ছোট এবং কিশোরগঞ্জ কিন্ডার গার্ডেন পাবলিক স্কুলের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র। বাবা মহেশ চন্দ্র পেশায় একজন হোটেল শ্রমিক,মা অন্যের বাড়িতে করেন ঝিয়ের কাজ।এভাবে চলে লেখাপড়াসহ পরিবারের অন্নের যোগান।কিন্তু বর্তমানে করোনার কালো থাবায় বাবা-মা পেশা হারিয়ে ঘরবন্দী হয়ে পড়েছেন। কিন্তু পেট তো আর ঘর বন্দী হয়ে পড়েনি। তাই বাবা-মাসহ বোনের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দিতে এ পেশায় নেমে পড়েছি।

প্রতিদিন দিন-রাত সমান তালে উপজেলা শহরের অলি-গলি ফেরি করে ২ ফ্লাক্স চা বিক্রি করে যা খরচবাদে ৩শ থেকে ৩৫০টাকা আয় হয়। যা দিয়ে কোন রকমে চলছে বাবা-মার সংসার। এদিকে কঠোর লকডাউনে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকায় বেড়েছে লাল চায়ের কদর। আর অনেকে করোনার প্রতিষেধক হিসেবে ধুঁকছে লাল চায়ের দিকে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021
WEB DEVELOPMENT BY KB-SOFTWARES