1. news.desherkotha.bd@gmail.com : ARIF KHAN : ARIF KHAN
  2. arifkhanjkt74@gmail.com : daynikdesherkotha :
কিশোরগঞ্জে মোবাইল ফোনে ডুবছে শিশু-কিশোররা - দৈনিক দেশের কথা
রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চাটখিল ক‌মিউ‌নি‌টি ক্লি‌নি‌কে এমপি’র পর্যবেক্ষণ,চিকিৎসকের স্ট্যান্ড রিলিজ খুলনায় কঠোর লকডাউন দিয়ে গনবিজ্ঞপ্তি জারি আত্রাইয়ে দেয়াল চাপা পড়ে এক শিশুর মৃত্যু, আহত হয়েছেন আরও ৩ জন কিশোরগঞ্জ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের রড চুরি- ধ্রুত চোরকে ছেড়ে দিল কর্তৃপক্ষ ঝালকাঠিতে হয়রানীর অভিযোগে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সন্মেলন আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন হারিয়ে গেছে, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বিয়ের পালকি রাজাপুরে রাতের আধারে মারপিট ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা, হাতুরি সহ দুই আসামী গ্রেফতার খুলনায় মঙ্গলবার থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা তেরখাদায় ঘন বৃষ্টি,চরম ভোগে সাধারণ জনজীবন ২২ ঘন্টা পর যাদুকাটায় নৌকা ডুবে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জে মোবাইল ফোনে ডুবছে শিশু-কিশোররা

আনোয়ার হোসেন-কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১
  • ৭৫ বার দেখেছেন

বিশ্বায়নের যুগে সর্বশ্রেণী পেশার মানুষের হাতে মোবাইল ফোনের ছড়াছড়ি। আমরা জানি প্রত্যেকটা জিনিসের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক রয়েছে। তবে বর্তমানে শিশুরা যে হারে মোবাইল ব্যবহার করছে এতে দিন দিন তারা মানুষরূপী রোবট হয়ে উঠছে। শৈশবে প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে এমন এক মুহূর্ত যার স্মৃতি বাকি জীবন সবাই বহন করে। শৈশবে শিশুদের কাজ হচ্ছে বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করা হৈচৈ করা ঘোরাঘুরি করা, হাসি-আনন্দ ঝগড়া ইত্যাদি।

এ সময় জীবন থাকে শুধু হাসি আর আনন্দে ভরপুর। কিন্তু সেই সোনালি শৈশব কেড়ে নিয়েছে মোবাইল ফোন।অন্যদিকে বিষে ভরা ২০২০ সালের অণুজীব করোনা সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ এক বছর বন্ধ রয়েছে সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।ভিন্ন আবহের বন্দিদশায় দুর্বিষহ জীবন কাটছে ওদের। আর এই সময়টাতে ছাত্রছাত্রীরা অনলাইন ও মোবাইল গেমস নিয়ে মেতে থাকছে প্রতিনিয়ত। ছাত্রছাত্রীরা তাদের পড়াশোনার সময়টা এখন বিভিন্ন গেমস এর পেছনে ব্যয় করছে, নষ্ট করছে মূল্যবান সময়।

নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে এসব ছেলে-মেয়েকে গেম খেলতে দেখা যাচ্ছে হরহামেশাই। এর ফলে পড়াশোনার ক্ষতির পাশাপাশি তারা বিভিন্ন ধরনের মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অল্প বয়সে হাতে হাতে মোবাইল ফোন চলে আসার কারণে তারা তাদের ইচ্ছে মত এসব ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করছে।অনেকেই আবার সারারাত জেগে গেমস এর পেছনে সময় ব্যয় করছে।

সম্প্রতিকালে ছেলেদের নজর কাড়ছে ফ্রী ফায়ার নামের একটি গেম। এই গেমটি এখন প্রায় মাদকদ্রব্যের মত ছড়িয়ে পড়েছে শহরের অলি গলি থেকে শুরু করে গ্রামের পাড়া-মহল্লায় । যারা এই গেম খেলছে তাদের অনেকেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে, চোখের দৃষ্টিশক্তি ক্ষণ হচ্ছে। সারারাত জেগে গেমস এর পেছনে সময় ব্যয় করছে। কখনও কখনও এমবি শেষ হয়ে গেলে গেম খেলতে না পারলে তারা দুর্ব্যবহার করছে মা-বাবার সঙ্গে।

এ গেমে আসক্তদের প্রতিটি পরিবার এ মুহূর্তে অনেক আতঙ্কে বসবাস করছে বলে মনে হচ্ছে। স্কুল বন্ধ। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলে না যেতে পেরে পড়াশোনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ধীরে ধীরে। করোনার কারণে স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও বাকি সব কিছু খোলা রয়েছে। এ সময় স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার কারণে আমাদের নতুন প্রজন্ম বড় ধরনের এক অন্ধকার পথে চলে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এ মুহূর্তে সবচেয়ে ভাবনার বিষয় গেমসে আসক্ত হওয়া শিক্ষার্থীরা সহজে বেরিয়ে আসতে পারবে এ থেকে,নাকি এজন্য অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হবে অভিভাবকদের? সময় এসেছে এসব নিয়ে ভাবার। করোনা পরিস্থিতি আরেকটু সহনীয় হয়ে এলে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিয়ে আমাদের বর্তমান প্রজন্মকে বাঁচানো দরকার। আর দেশের ভবিষ্যৎ কে অন্ধকারে ঠেলে না দিয়ে পাবজি, ফ্রী ফায়ার,ডায়মন্ড গোল্ড সব ধরনের গেম বন্ধ করার জোর দাবি জানান অবিভাবক মহল।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021
WEB DEVELOPMENT BY KB-SOFTWARES