1. alaminjhalakati@gmail.com : mdalminjkt Jhalakathi : mdalminjkt Jhalakathi
  2. arifkhanjkt74@gmail.com : daynikdesherkotha :
বসতঘরের অভাবে টিটুর পরিবারের মানবেতর জীবন - দৈনিক দেশের কথা
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে স্বাস্থ্য বিভাগকে করোনা সামগ্রী দিলো আ.লীগ পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান আল মামুন এর পিতার মৃত্যুতে সংগঠনের নেতাদের শোক পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মামলার আসামী ইউপি চেয়ারম্যান মেয়াজ্জেম হেসোনকে আড়াই মাসেও গ্রেফতার না করার অভিযোগ মনিরামপুরের সবার প্রিয় কাশেম স্যার আর নেই কুষ্টিয়া প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের এএসআই আটক চাটখিলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রবাসির সম্পত্তি দখলের অভিযোগ। পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে আনসার ও ভিডিপির নতুন ভবনের উদ্বোধন জবির সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা ১০ আগস্ট, ইদের আগেই হবে অ্যাসাইনমেন্ট কিশোরগঞ্জে আগ্রহ বাড়ছে প্লাস্টিকের বস্তায় আদা চাষ কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে মা-ছেলেকে গুলি করে হত্যা

বসতঘরের অভাবে টিটুর পরিবারের মানবেতর জীবন

এম খায়রুল ইসলাম পলাশ,রাজাপুর
  • প্রকাশিত সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ৭৫ বার দেখেছেন
দেশেরকথা
পৈত্রিক সম্পত্তি থাকতেও অর্থাভাবে বসতঘর তৈরী করতে না পারায় স্ত্রী ও স্কুল পড়ুয়া পুত্রকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাকরাইল গ্রামের মৃত. মো. শাহজাহান হাওলাদারের পুত্র মো. টিটু হাওলাদারের পৈত্রিক সম্পত্তি থাকতেও অর্থাভাবে বসতঘর তৈরী করতে না পারায় স্ত্রী ও স্কুল পড়ুয়া পুত্রকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় কোনরকম টিনের বেড়া দিয়ে সুপারি গাছের চেরা ও পলিথিনের ছাউনির ঘরটুকুও ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে সেখানে কোন মানুষের পক্ষে বসবাস করা সম্পুর্ণ দুঃসাধ্য ব্যাপার।

টিটু হাওলাদার বলেন, ৭বছর বয়সের সময় মা মারা যান। তখন আমরা ৩ভাই বোন৷ছোট অবস্থায় মা মারা যাওয়ায় মামাদের মাধ্যমে ঝালকাঠিতে বসবাস শুরু করি।ঝালকাঠি শহরতলীর বিকনা এলাকায় (বাসন্ডা ব্রিজের পুর্বঢালে) একটি ঘরে থাকতাম। বোনের বিবাহ হওয়ায় সে শ্বশুর বাড়িতে আছেন। বড় ভাই কয়েক বছর আগে নিহত হয়েছেন। ওই এলাকায়ই টিনের একটি ঘরে ৩ শত টাকা ভাড়ায় একটি কক্ষে স্ত্রী ও স্কুল পড়ুয়া পুত্রকে নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে। পুঁজি না থাকায় অটো রিক্সা চালিয়ে জীবীকা নির্বাহ করতে সক্ষম না হওয়ায় ওই কক্ষেরই একপাশে স্ত্রীকে চায়ের দোকান দিতে হয়েছে। দুজনের কস্ট ও পরিশ্রমে যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে সন্তানের পড়ালেখা চালিয়ে নিজেদের দু’বেলা দু’মুঠো ভাত জোগাড় করাও দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। পৈত্রিক ভিটায়ও বসবাসের উপযোগী ঘর না থাকায় সেখানে থাকা সম্ভব হচ্ছে না। পলিথিনের ছাউনীটুকুও ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন রোদ, বৃষ্টি, বন্যা হলে কোনভাবেই বসবাস করা সম্ভব হচ্ছে না।

টিটুর স্ত্রী শামিমা সুলতানা বলেন, সাকরাইল গ্রামে আমার শ্বশুর বাড়িতে জমি থাকলেও মানুষ হিসেবে বসবাসে কোন উপায় নেই। রোদ, বৃষ্টি, বন্যা, বাতাস সবই মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। একমাত্র শিশু পুত্রকে নিয়ে এতো কস্টে জীবনযাপন করতে হচ্ছে তা ভাষায় বুঝাতে পারছি না। যদি সরকারীভাবে একটি ঘর পাওয়া যেতো, তাহলে আমাদের মাথা গোজার ঠাই হতো।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মনির সিকদার বলেন, মৃত. শাহজাহান হাওলাদারের জমি থাকলেও সেখানে নেই কোন বসবাস উপযোগী ঘর। অর্থাভাবে তুলতে পারছে না ঘরও। আমরা স্থানীয়দের সহায়তায় সুপারি গাছ ও পলিথিনের ছাউনীতে বসবাসের ব্যবস্থা করছিলাম। ইয়াসে তাও কেড়ে নিয়ে গেছে। সরকারী বরাদ্দে জমি আছে ঘর নেই প্রকল্পের মাধ্যমে যদি একটি ঘর টিটুর পরিবারকে দেয়া হয় তাহলে তার দুঃখ-কষ্ট লাঘব হবে।

আরো পড়ুনঃ

কিশোরগঞ্জে মফস্বলের বেকার নারীরা-সুঁই-সূতোর ফোঁড়ে স্বপ্ন বুনছেন

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021
WEB DEVELOPMENT BY KB-SOFTWARES