1. alaminjhalakati@gmail.com : mdalminjkt Jhalakathi : mdalminjkt Jhalakathi
  2. arifkhanjkt74@gmail.com : daynikdesherkotha :
কেন ভয়ংকর করোনাভাইরাস ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট? জানতে পড়ুন। - দৈনিক দেশের কথা
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্বাচনী প্রচারনার শেষের দিকে রাজাপুরের ইউনিয়ন গুলোতে জমে উঠেছে নির্বাচনী আমেজ,চলছে প্রচার ও উঠান বৈঠক ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান। পিরোজপুরে সদর উপজেলায় নৌকা প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ সুনামগঞ্জের যাদুকাটায় নৌকা ডুবে যুবক নিখোঁজ : উদ্ধার ২ খুলনায় ভূমিহীনদের গৃহনির্মাণ কাজ শতভাগ সম্পন্ন, রবিবারে ১,৩৫১ পরিবারের মাঝে হস্তান্তর ঝালকাঠি পৌর নির্বাচনে নারী ভোটাররাই প্রার্থীদের একমাএ ভরসা মানবতার ফেরিওয়ালা সাংবাদিক এনায়েত ফেরদৌস জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীর আলোচনা সভায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কিশোরগঞ্জে মুজিব পল্লীতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছে ১৭০ গৃহহীনপরিবার বিরামপুরে খড় বোঝাই ভ্যানে মিললো ৩৪ বোতল ফেনসিডিল,আটক-২

কেন ভয়ংকর করোনাভাইরাস ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট? জানতে পড়ুন।

মো শাহীন ইসলাম নিলফামারী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
  • ৩৬ বার দেখেছেন
ভয়ংকর করোনা

ভাইরাসের ধর্ম হচ্ছে এরা ঠিকে থাকার জন্য সর্বদা নিজেদের পরিবর্তন করে। মিউটেশন করতে করতে একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। আবার কখনও ভয়ংকর হয়ে উঠে।

প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে।

করোনা ভাইরাসের এসব ভ্যারিয়েন্ট রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে আক্রমণ করে। ফলে মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে মৃত্যু ঘটতে পারে। এদের সংক্রামনের ক্ষমতা অনেক বেশি। দ্রুত ছড়াতে পারে, অনেকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কাজ করে না, ফলে দ্রুত মৃর্ত্যু ঘটে।

করোনাভাইরাসের ভারত ভ্যারিয়েন্ট – যেটার বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া হয়েছে বি.১.৬১৭ – প্রথম ভারতে শনাক্ত হয় অক্টোবর মাসে।

কিভাবে নতুন ভ্যারিয়েন্ট রূপান্তরিত হয়?

যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল এবং ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট- এরা সবাই তাদের প্রোটিন স্পাইকগুলো পরিবর্তন করেছে। আমরা করোনা ভাইরাসের গায়ে কাঁটার মতো যেসব জিনিস দেখতে পাই, সেটাই প্রোটিন স্পাইক। এর সাহায্যে এই ভাইরাস মানুষের কোষের সঙ্গে যুক্ত হয়। এসব ভাইরাসের একটি অভিন্ন রূপান্তর হয়। একে বলা হয় এন৫১ওয়াই। এর ফলে রূপান্তরিত ভাইরাস কোষের মধ্যে আরো ভালভাবে সংক্রমণ ঘটাতে পারে এবং এর বিস্তার হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বৃটিশ/কেন্ট স্ট্রেইন মূল ভাইরাসের চেয়ে শতকরা ৭০ ভাগ বেশি সংক্রমণযোগ্য। তবে পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের গবেষণায় এই সংক্রমণকে শতকরা ৩০ ভাগ থেকে ৫০ ভাগ বেশি বলে দেখা গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ব্রাজিল ভ্যারিয়েন্টের আরো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে প্রোটিন স্পাইকে। তাদের যে মূল রূপান্তর হয় তাকে বলা হয় ই৪৮৪কে। এর ফলে এই ভাইরাসকে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেয়ার সক্ষমতা দান করে। এর অর্থ হলো যেসব মানুষ আগে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন অথবা টিকা নিয়েছিলেন, তারা তাদের শরীরে তৈরি হওয়া এন্টিবডি বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে পারেন না। বিশেষজ্ঞরা সম্প্রতি দেখতে পেয়েছেন বৃটেনে অল্প সংখ্যক ক্ষেত্রে বৃটিশ ভ্যারিয়েন্টে এই পরিবর্তন ঘটছে। অন্যদিকে ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্টে গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তর ঘটে। এগুলো হলো ই৪৮৪কিউএল৪৫২আর এবং পি৬৮১আর।

বৃটিশ, ব্রাজিলিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকারন ভ্যারিয়েন্ট কি?

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট জানার আগে জানতে হবে বৃটিশ, ব্রাজিল, আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে। তাদের রুপান্তর থেকে অধিক শক্তিশালীতে পরিনিত হয়েছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট।

এখন পর্যন্ত জানা তথ্যে এসব ভ্যারিয়েন্ট অধিক মাত্রায় সংক্রামক। করোনা ভাইরাসের এসব ভ্যারিয়েন্ট রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে আক্রমণ করে। বর্তমানে বৃটেনে যে ভ্যারিয়েন্ট বেশি সংক্রামক হয়ে উঠেছে তা হলো ইউকে বা কেন্ট ভ্যারিয়েন্ট (বি.১.১.৭)। এই ভ্যারিয়েন্ট কমপক্ষে ৫০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। দৃশ্যত এই ভ্যারিয়েন্ট আবারও তার রূপান্তর ঘটাতে পারে। দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট (বি.১.৩৫১) বৃটেনসহ কমপক্ষে ২০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ছাড়া ব্রাজিলিয়ান ভ্যারিয়েন্ট (পি১) শনাক্ত করা হয়েছে বৃটেনে। এসব ভ্যারিয়েন্ট যে এরই মধ্যে আবার রূপান্তরিত হয়নি তা বলা যাবে না। সব ভাইরাসই এমনভাবে বিবর্তিত হয়। তারা নিজেদের বিস্তার ঘটানোর জন্য নিজেদেরকেই কপি করে। তবে তাদের মধ্যে পার্থক্য খুব কম। এর মধ্যে টিকে থাকার জন্য কিছু ভাইরাস ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। আবার কিছু অধিক সংক্রামক এবং হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

বাংলাদেশ কতটুকু নিরাপদ?

করোনা সম্পর্কিত বিশ্লেষক দলটির প্রধান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটের শিক্ষক ডঃ শাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, বাংলাদেশের বিশাল সীমান্ত ভারতের সাথে। তাই আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ যতই বন্ধ থাকুক – তাতে সেখানকার ভাইরাস আসবে না এই নিশ্চয়তা নেই”

ইতিমধ্যে, বিভিন্ন সিমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশী ফিরতে শুরু করেছে। তারা ভারতে নেগেটিভ হলেও দেশে আসার পর পজেটিভ হচ্ছে। চাপাইনবাবগন্জে সংক্রামের হার বাড়তে শুরু করেছে। তাই তাদের দেশ থেকে বিছিন্ন করে বিশেষ লকডাউন দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021
WEB DEVELOPMENT BY KB-SOFTWARES