1. alaminjhalakati@gmail.com : mdalminjkt Jhalakathi : mdalminjkt Jhalakathi
  2. arifkhanjkt74@gmail.com : daynikdesherkotha :
হোয়াইক্যং এর লম্বাবিল গ্রামে খাবার পানির সংকট। - দৈনিক দেশের কথা
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে স্বাস্থ্য বিভাগকে করোনা সামগ্রী দিলো আ.লীগ পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান আল মামুন এর পিতার মৃত্যুতে সংগঠনের নেতাদের শোক পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মামলার আসামী ইউপি চেয়ারম্যান মেয়াজ্জেম হেসোনকে আড়াই মাসেও গ্রেফতার না করার অভিযোগ মনিরামপুরের সবার প্রিয় কাশেম স্যার আর নেই কুষ্টিয়া প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের এএসআই আটক চাটখিলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রবাসির সম্পত্তি দখলের অভিযোগ। পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে আনসার ও ভিডিপির নতুন ভবনের উদ্বোধন জবির সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা ১০ আগস্ট, ইদের আগেই হবে অ্যাসাইনমেন্ট কিশোরগঞ্জে আগ্রহ বাড়ছে প্লাস্টিকের বস্তায় আদা চাষ কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে মা-ছেলেকে গুলি করে হত্যা

হোয়াইক্যং এর লম্বাবিল গ্রামে খাবার পানির সংকট।

আব্দুর রহমান আজাদ
  • প্রকাশিত বুধবার, ১৯ মে, ২০২১
  • ২৬ বার দেখেছেন
খাবার পানির সংকট।

টেকনাফ উপজেলার হোয়াইকৎ ইউনিয়ের ৪ নং ওয়ার্ড লম্বাবিল গ্রামে খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রামের মানুষ সকাল,দুপুর, বিকাল বেলায় খাবার পানি নিয়ে পড়ে বিপাকে। তাদের হাতের নাগালে ব্যবহারের পানি কম বেশি থাকলে ও তাদের হাতে থাকে না পর্যাপ্ত খাবারের পানি। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বেশ নিচে নেমে যাওয়ায় প্রতি বছরের মত গরমের শুরুতেই এবারও দেখা দিয়েছে এ সংকট।

লম্বাবিল গ্রামের দরিদ্র ১২০-১৫০ টি পরিবার পুকুর ও ডোবার ময়লা পানি দিয়ে গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিচ্ছে। ফলে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ। দ্রুত পানীয় জলের অভাব দূর করতে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

এ অঞ্চলের মাটির গঠন সাধরণত বেলে ও এঁটেল মাটি হওয়ায় এসব এলাকায় এমনিতেই পানির সংকট লেগে থাকে। প্রতি বছর খরা মৌসুমে এসব এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে যায়। তবে অন্যান্য গ্রামের মানুষ টিবওয়েলে খাবার পানির অভাব মিটিয়েছে। কিন্তু লম্বাবিল গ্রামের মানুষ অধিকাংশ দরিদ্র হত দরিদ্র হওয়ায় গভীর টিউবওয়েল স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

গ্রামে হাতে গোনা কয়েকটি অল্প গভীরতা সম্পন্ন টিউবওয়েল, পাতকুয়া থাকলেও মাঘ মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত পানি তোলা সম্ভব হয় না। খরার এই ছয় মাস গ্রামের টিউবওয়েলগুলো অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় গ্রামের ১২০-১৫০ টি পরিবারের প্রায় সাড়ে ৭শ’ লোক খাবার পানির তীব্র সংকটে দিন কাটায়। এছাড়া গ্রামে হাতে গুনা মাত্র দুই একটা পাতকুয়ার নোংরা পানি বাধ্য হয়ে পান হয়।

গ্রামবাসীর মধ্য হতে রাশেদা বেগম জানান, পাতকুয়ার পানি নোংরা বা ঘোলা হলেও বাধ্য হয়েই এই পাতকুয়ার পানি পান করে থাকেন গ্রামবাসী। আর গ্রামের পাতকুয়াগুলো গরমের শুরু হতে পানির স্তর নামতে থাকে। ফলে তাদের কাছে কাঙ্কিত পানি পাওয়া হয়ে ওঠে স্বপ্নের ন্যায়।

গ্রামবাসীর মধ্য হতে শাহেদ জানান, গ্রামে বেশ কয়েকটি টিউবওয়েল থাকলেও খরার এই ছয় মাস পানি না ওঠার কারণে অকেজো হয়ে থাকে সব। গ্রামে দুই/তিনটা পাতকুয়া থাকলেও প্রায় ৭০ ফিট নিচে যাওয়ায় বালতি দিয়ে পানি তুলতে অসুবিধা হয়। আর পানিও ঘোলা। অনেকটা সময় রাখার পর খাবার উপযোগী হয়। সকাল থেকে নারী, শিশুর পাশাপাশি পুরুষদের বাড়তে থাকে ভিড়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এ ব্যাপারে জানিয়েও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অত্যধিক নিচে সেমে যাওয়ার কারণে এই কূপের পড়ছে বাড়তি চাপ
ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অত্যধিক নিচে সেমে যাওয়ার কারণে এই কূপের পড়ছে বাড়তি চাপ।

এ পর্যায়ে এসে তাদের কুল কিনারায় যেন মেলে না ঠাই, তাদেরকে খাবার জোগাড়ের চেয়ে অনেকটা সময় পানি জোগাড় কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়ে। একজন মানুষ সঠিকরূপে জীবন যাপন করতে পানির বিকল্প নেই। অথচ লম্বাবিল গ্রামের কম বেশি মানুষই তাদের বিশুদ্ধ খাবার পানি হতে বঞ্চিত হয়ে আসছে যুগের পর যুগ।

যে কয়েকটি পানির টিউবওয়েল ও পাতকুয়া আছে সেগুলো হতে পানি সংগ্রহ করতে আসে অনেক সোয়া কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে। আবার সে সংগৃহীত পানি নিয়ে পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা বেয়ে পানি নিয়ে তাদের ঘরে যায়।

গ্রামবাসীর একটিই দাবী, সরকারী,বেসরকারি যে কোন উন্নয়ন সংস্থার পক্ষ হতে যেন তাদের পাতকুয়াগুলো যেন আরো গভীরভাবে খনন করে দেয় এতে, অন্তত তাদের পানির চাহিদা টুকু মিটবে। এছাড়া, তাদের কাছে মৌসুম ভিত্তিক অকেজো হয়ে যাওয়া টিউবওয়েল গুলাকে ভুগর্ভের গভীরে দিয়ে পানি পাওয়ার মতো করে দিলে তাদের জীবন মান উন্নয়ন হতো।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021
WEB DEVELOPMENT BY KB-SOFTWARES