1. news.desherkotha.bd@gmail.com : ARIF KHAN : ARIF KHAN
  2. arifkhanjkt74@gmail.com : daynikdesherkotha :
কিশোরগঞ্জে শিলা বৃষ্টির তাণ্ডবে পুড়ছে কৃষকের কপাল - দৈনিক দেশের কথা
রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চাটখিল ক‌মিউ‌নি‌টি ক্লি‌নি‌কে এমপি’র পর্যবেক্ষণ,চিকিৎসকের স্ট্যান্ড রিলিজ খুলনায় কঠোর লকডাউন দিয়ে গনবিজ্ঞপ্তি জারি আত্রাইয়ে দেয়াল চাপা পড়ে এক শিশুর মৃত্যু, আহত হয়েছেন আরও ৩ জন কিশোরগঞ্জ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের রড চুরি- ধ্রুত চোরকে ছেড়ে দিল কর্তৃপক্ষ ঝালকাঠিতে হয়রানীর অভিযোগে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সন্মেলন আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন হারিয়ে গেছে, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বিয়ের পালকি রাজাপুরে রাতের আধারে মারপিট ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা, হাতুরি সহ দুই আসামী গ্রেফতার খুলনায় মঙ্গলবার থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা তেরখাদায় ঘন বৃষ্টি,চরম ভোগে সাধারণ জনজীবন ২২ ঘন্টা পর যাদুকাটায় নৌকা ডুবে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জে শিলা বৃষ্টির তাণ্ডবে পুড়ছে কৃষকের কপাল

আনোয়ার হোসেন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত শনিবার, ৮ মে, ২০২১
  • ৫৮ বার দেখেছেন
শিলা বৃষ্টির তাণ্ডবে

নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ো হাওয়ায় সাথে শিলাবৃষ্টির হানায় কৃষকের সোনালী স্বপ্নের ফসল বোরোধানসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে শূন্য গোলা পড়ে থাকার আশঙ্কায় হাহাকার করছে কৃষক পরিবার। গত শুক্রবার দিন গত ভোর রাতে হটাৎ কাল বৈশাখী ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টিতে এ ক্ষয়ক্ষতি হয়।

বিশেষ করে উপজেলার নিতাই ইউপি’র মুশরুত পানিয়াল পুকুর বানিয়া পাড়ার বেলতলি ও বাশঁবাড়ি দোলার প্রায় ৫ শতাধিক কৃষকের পাকা ধান শিলাবৃষ্টিতে সম্পূর্ণ মাটিতে ঝরে পড়েছে। এসময় বোরো ধানের ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি কৃষকের উঠতি ফসল ভুট্টা, কাঁচা মরিচ,,সবজি,পাটক্ষেত পাতাশূন্য অবস্থায় মাটির সঙ্গে নুয়ে পড়াসহ শিলাবৃষ্টিতে অনেক অসহায় পরিবারের টিনের ঘর ঝাঝরা হয়ে গেছে। এতে বোরো ধানসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান,ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা।
সরেজমিনে নিতাই ইউপি’র মুশরুত পানিয়াল পুকুর বেলতলি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে কৃষকের পাকা/আধা পাকা ধান শিলা বৃষ্টিতে ঝরে
গিয়ে ধান শুন্য গাছ দাঁড়িয়ে আছে। এসময় অশ্রুসজল নির্বাক ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে থাকা ওই গ্রামের কৃষক শামসুল জানান, তার ৪
বিঘা জমির ধান সম্পূর্ণ শিলাবৃষ্টিতে মাটিতে ঝরে পড়েছে। ধান শূন্য গাছ দেখে তিনি একেবারে মুষড়ে পড়েছেন।কাটা মাড়াই করে
বিঘা প্রতি ২মন ধান না হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আগামীতে পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে বলে তিনি জানান । ওই ইউপি চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফারুকের ১৪ বিঘা জমির পাকাধান ঝড়ে পড়েছে। তিনি জানান, যেখানে বিঘা প্রতি ধান হত
৩০/৩৫ মন। এখন সেই জমিতে ধান ৩/৪মন হবেনা। এতে কৃষি শ্রমিকের মজুরি উঠবেনা।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, ৭ হেক্টর বোরোধান ৩ হেক্টর পাটক্ষেত ও ৩ হেক্টর জমির সবজি খেতের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021
WEB DEVELOPMENT BY KB-SOFTWARES