1. alaminjhalakati@gmail.com : mdalminjkt Jhalakathi : mdalminjkt Jhalakathi
  2. arifkhanjkt74@gmail.com : daynikdesherkotha :
ত্রিশালে প্রায় ২হাজার পরিবারে কোন ঈদ নেই! - দৈনিক দেশের কথা
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্বাচনী প্রচারনার শেষের দিকে রাজাপুরের ইউনিয়ন গুলোতে জমে উঠেছে নির্বাচনী আমেজ,চলছে প্রচার ও উঠান বৈঠক ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান। পিরোজপুরে সদর উপজেলায় নৌকা প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ সুনামগঞ্জের যাদুকাটায় নৌকা ডুবে যুবক নিখোঁজ : উদ্ধার ২ খুলনায় ভূমিহীনদের গৃহনির্মাণ কাজ শতভাগ সম্পন্ন, রবিবারে ১,৩৫১ পরিবারের মাঝে হস্তান্তর ঝালকাঠি পৌর নির্বাচনে নারী ভোটাররাই প্রার্থীদের একমাএ ভরসা মানবতার ফেরিওয়ালা সাংবাদিক এনায়েত ফেরদৌস জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীর আলোচনা সভায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কিশোরগঞ্জে মুজিব পল্লীতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছে ১৭০ গৃহহীনপরিবার বিরামপুরে খড় বোঝাই ভ্যানে মিললো ৩৪ বোতল ফেনসিডিল,আটক-২

ত্রিশালে প্রায় ২হাজার পরিবারে কোন ঈদ নেই!

ইমরান হাসান বুলবুল, ত্রিশাল(ময়মনসিংহ)প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত শনিবার, ৮ মে, ২০২১
  • ৩০ বার দেখেছেন
কোন ঈদ নেই

বিগত এক বছর যাবৎ নীরব কান্না, গোপনে অশ্রু মোচন আর অন্তরে দহন ক্রিয়া নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে ত্রিশালে প্রায় ১৫০টি কেজি স্কুলের প্রায় দুই হাজার শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ। প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্বেও মহামারি করোনায় সরকারি স্বীদ্ধান্তকে মেনে নিয়ে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে এসে দাড়িঁয়ে ত্রিশালের কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো।এদের কোন ঈদ নেই কারণ তারা কেজিস্কুলের শিক্ষক।

কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক বলতে গেলে নিন্ম বিত্ত বা মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য।পরিবারের এক একেকটা চালিতা শক্তি। প্রতিষ্টানের নূন্যতম বেতন আর সামান্য প্রাইভেট টিইশানির আয় ছিল একমাত্র নির্ভরতা,এর বাইরে আর কিছুুই নাই। তাও ১ বছর যাবৎ বন্ধ। না পারছে কিছু বলতে,না পারছে সহৃ করতে। ব্যক্তি মালিকানার কেজি স্কুলগুলো পাঠ্য কার্যক্রম চালু থাকলে,টিউশান ফি আদায় করতে পারে, নইলে নয়।
সরকারের কোন আর্থিক সহযোগিতা কেজি স্কুলগুলো কোন দিনই পাইনি, তার পরও সামান্য কিছু টিউশন ফি আদায় করে প্রতিষ্ঠান গুলো পরিচালিত হয়। প্রতি বছর সরকারি স্কুলগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক-কর্মচারির বেতন বাবদ যে টাকা ব্যয় হয় সে হিসাব করলে কেজি স্কুল গুলোর টিউশন ফি কিছুই না।

ত্রিশাল উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল আওয়াল বলেন, কেজি স্কুলের শিক্ষকরা ধার কর্জ করে খেতে খেতে এখন আর তাদের কেউ ধার কর্জ দিতে চায় না। মানবিকতার চরম সংকটের উপনিত হয়েছে কেজি স্কুলের শিক্ষকরা যা বলার অপেক্ষা রাখে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি এই ব্যাপারে সদয় না হন তবে জাতীয় শিক্ষায় অবদান রাখার এই বৃহত্তম গোষ্ঠি ধ্বংস হয়ে যাবে। সরকারের সাহায্য কামনা করছি।
ত্রিশাল উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর কবির বলেন, মহামারি করোনায় আমাদের প্রায় ৫০টির বেশি কেজি স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক শিক্ষক এখন বেকার অবস্থায় আছে।কেজিস্কুলের শিক্ষকদের পরিবার গুলো দরিদ্রতা চরমে পৌছেছে। শিক্ষক হওয়ার দরুন অন্য কোন কাজ করা যেমন সম্মাহানি তেমনি কারও কাছে সাহায্যও চাইতে পারছে না। বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে অবহেলিত এই কেজি স্কুলের শিক্ষকরা। আশা করি অতিদ্রুত সরকার আমাদের পাশে দাড়াবেন।
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন ত্রিশাল শাখার সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন আকন্দ বলেন, ছাত্রদের পাশাপাশি আমরা না পড়ানোর জন্যে নিজেরাও পড়ানো ভুলে যাচ্ছি। তবে কেজি স্কুলের শিক্ষকরা অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন ত্রিশাল শাখার সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাসান বলেন, প্রণোদনা সহ সকল সুবিধা সরকারি স্কুল গুলো পেলেও কেজি স্কুলগুলোর প্রতি সরকারে এমন নিষ্ঠুর আচরনে আমরা হতাশ হয়েছি। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখছে এই কেজি স্কুলগুলো। শুনেছি সরকারি প্রাইমারী শিক্ষিকারা স্কুল না খোলার জন্যে জালালি খোতম পড়ায়। আর আমরা স্কুল খোলার জন্যে প্রতিটি প্রহর গুণছি।

আমাদের আর্থিক প্রণোদনাসহ অতিদ্রƒত কেজি স্কুলগুলো খোলে দেবার জোড় দাবী জানাচ্ছি।এই প্রতিষ্টান সমূহের উপর কত লক্ষ নীরিহ পরিবার নির্ভরশীল তাও ভেবে দেখা দরকার মনে করি।এই স্কুলগুলোর সাথে লক্ষ লক্ষ কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ জড়িয়ে আছে। কেউ কখনো চাইবে না,এদের জীবন বিপন্ন হউক।শিক্ষা বান্ধব মাননীয প্রধানমন্ত্রি শেখ হাহিনার সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নয়ন সাধন করেছে। সরকারি স্কুলের শিক্ষক কর্মচারিরা স্কুল অনন্তকাল বন্ধ থাকলেও বেতন ঠিক পাবে,কিন্তু কেজির শিক্ষককেরা পাবে না স্কুলে কার্যক্রম চলমান না থাকলে। সুতরাং এইসব ব্যক্তি মালিকানাধীন স্কুল সমুহ যাতে টিউশান ফি আদায় করে সব কিছু সচল রাখতে পারে,সেইজন্য অন্তত সপ্তাহের অর্ধেক কায্যদিবস হলে ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চালু রাখার ব্যবস্থা করা যেত কিনা,ভেবে দেখাটা অতি জরুরি মনে করি,যাতে প্রতিষ্টান মালিক,শিক্ষক/শিক্ষিকা,কর্মচারীবৃন্দ আর শিক্ষাথীরা স্বস্থি পায়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021
WEB DEVELOPMENT BY KB-SOFTWARES