1. alaminjhalakati@gmail.com : mdalminjkt Jhalakathi : mdalminjkt Jhalakathi
  2. arifkhanjkt74@gmail.com : daynikdesherkotha :
চাটখিলে মাস্ক নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে যা দেখা গেল। - দৈনিক দেশের কথা
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন

চাটখিলে মাস্ক নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে যা দেখা গেল।

মনির হোসেন (নোয়াখালী প্রতিনিধি)
  • প্রকাশিত সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১
  • ৩৫ বার দেখেছেন


কারও বাসা থেকে মাস্ক আনতে মনে নেই, কারও তা পরলে দম বন্ধ লাগে; আবার কেউ কেউ মাস্ক নিয়ে বের হলেও ‘পড়ে গেছে’ পথে- এমনই নানা অজুহাতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের এই উপকরণ পরছেন না বহু মানুষ। মাস্ক মুখে না জড়িয়ে যারা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মুখোমুখি হয়েছেন, তাদের অনেককে গুণতে হয়েছে নগদ জরিমানা, সঙ্গে পেয়েছেন বিনামূল্যের মাস্কও।নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার শাহপুর মধ্যবাজারে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে মুখে মাক্স দেওয়া নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হয়।বাংলাদেশে করোনাভাইরাস মহামারীর ’দ্বিতীয় ঢেউ’ সামলানোর পদক্ষেপের অংশ হিসাবে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।

জরিমানা পরিশোধ করলে মাস্ক পরার জন্য উৎসাহিত করে ছাড়ার পাশাপাশি তাদেরকে দেওয়া হয় মাস্ক।এরপর আসা একটি রিকশার আরোহীদের মুখে মাস্ক থাকলেও চালকের মুখে ছিল না। চল্লিশোর্ধ্ব রিকশাচালককে মাস্ক পরার জন্য উদ্বুদ্ধ করে একটি মাস্ক তুলে দেওয়া হয়।সোমবার ২২-০৩-২১ দুপুর ১টার সময় চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এস এম মোসার নেতৃত্বে শাহপুর মধ্যবাজার থেকে অভিযান চালিয়ে প্রথমে ২ ব্যবসায়ীর মাক্স না থাকায় ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয় পরে এক ব্যববসায়ীর কাছ থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য থাকায় ৫০০ টাকা, নিউ মিষ্টি মুখ দোকানে অন্যের ব্যবহৃত মোড়ক ব্যবহার করায় ভোক্তা অধিকার আইনে ২০০০ টাকা, জলিল ক্লথ স্টোরে বিদেশি পণ্যে বাংলাদেশী কোন অনুমোদন না থাকায় ২০০০ টাকা একই সাথে ভূইয়া ক্লথ স্টোরকে ৫০০০ টাকা, মডার্ন গার্মেন্টস কে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।এসময় অভিযান পরিচালনা শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এস এম মোসা বলেন, “মাস্কের বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে আমরা এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছি। জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি মাস্কও বিতরণ করা হচ্ছে।”দণ্ডবিধির যে ধারায় শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, তাদের সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

আমরা এখন ১০০-২০০ টাকা করছি। কারণ অনেকে মনে নেই, বাসায় রেখে আসছি, হারিয়ে গেছে- এমন খোঁড়া অজুহাত দেখিয়ে মাস্ক পরছেন না।” ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং অন্যান্য সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এখন দুয়েকজন ছাড়া বাকিরা মাস্ক পরছেন বলে পর্যবেক্ষণ এই ম্যাজিস্ট্রেটের।মোসা আরো বলেন, “আমূল পরিবর্তন আসছে। শুরুর দিকে আমরা দেখেছি, বেশিরভাগের মাস্ক ছিল না, এখন মোটামুটি বেশিরভাগই মাস্ক পরছে।“হয়ত কেউ কেউ সঠিক জায়গায় পরছে না। দুয়েকজন রিকশাওয়ালা ভাই ও নিম্ন আয়ের মানুষের মুখে মাস্ক দেখা যাচ্ছে না। তাদেরকে বুঝিয়ে আমরা বিনামূল্যে মাস্ক দিয়ে দিচ্ছি।”অন্যদিকে কয়েকটি দোকানে বিদেশি পণ্য বাংলাদেশে অনুমোদন না থাকায় ও বাংলাদেশী পণ্যে অনুমোদন না থাকায় তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021
WEB DEVELOPMENT BY KB-SOFTWARES