1. alaminjhalakati@gmail.com : mdalminjkt Jhalakathi : mdalminjkt Jhalakathi
  2. arifkhanjkt74@gmail.com : daynikdesherkotha :
ধর্ষণ ও বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার শুধু নারী নয় পুরুষরাও হচ্ছে। - দৈনিক দেশের কথা
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালিয়াকৈর মেম্বার পদ প্রার্থী জয়নালের বাড়িতে উপজেলা আওয়ামিলীগের মিলন মেলা বিশিষ্ট শিল্পপতি দানবীর ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া আর নেই গ্রেফতার হওয়া নেতাদের মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া হচ্ছে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার জন্য: নুর নামাজ ও তারাবিতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ রাজাপুরে পানিতে তরমুজ ক্ষেত তলিয়ে মাঠেই নষ্ট হচ্ছে আধাপাকা ফল পবিত্র কোরআনের ২৬টি আয়াত বাতিল চেয়ে করা আবেদন খারিজ:একই সাথে জরিমানা আহমদ শফীকে হত্যা প্ররোচনা মামলায় বাবুনগরীসহ অভিযুক্ত ৪৩ কাউখালীতে মানবতার ফেরিওয়ালা ছাত্রলীগ নেতা জিতুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ এবার লকডাউনে চলতে লাকবে মুভমেন্ট পাস

ধর্ষণ ও বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার শুধু নারী নয় পুরুষরাও হচ্ছে।

মুহাম্মদ আমির উদ্দিন কাশেম
  • প্রকাশিত সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১
  • ১৩১ বার দেখেছেন

মৌলাবি বাজার প্রাতিনিধিঃ- প্রতিটি মানুষের মধ্যে অপরাধ করার প্রবণতা থাকে। হউক সে নারী কিংবা পুরুষ। ধর্ষণ ও নির্যাতন নিয়ে আমাদের একটি অন্ধ বিশ্বাস যে, ধর্ষণ ও নির্যাতন কেবল পুরুষরাই করে কিন্তু এমন কিছু ঘটনা মাঝে মাঝে দেখা যায় ধর্ষণের শিকার পুরুষটিই হয় ধর্ষণের আসামী, শতকরা ৮০% নির্যাতনের শিকার পুরুষরা আসামী হয়ে জেল জুলুম হামলা মামলাসহ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। 
একজন কামুক নারী সে স্বামী নিয়ে সন্তুষ্ট নয় বা স্বামীর অবর্তমানে তার যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য পরকিয়ায় লিপ্ত হওয়াটা স্বাভাবিক, যদিও তারা সংখ্যায় কম। সেক্ষেত্রে এই মহিলাটি কোন কম বয়সি পুরুষ বা যার মধ্যে প্রচুর কামভাব আছে সেই পুরুষটিকে খুজে নেয়।পুরুষেরা সাধারণত মহিলাদের প্রতি কাতর থাকে ও নারীর প্রতি আকাঙ্ক্ষা থাকে বেশি। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই অনেক নারী পরকিয়া নামে ধর্ষণ করে পুরুষদের।
অনেক বিবাহিত নারী বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি, ইশারা, প্রলোভন প্রদর্শনে পুরুষকে তার যৌন সঙ্গি করে তুলে। এর বেশিরভাগ শিকার হয় ১৪থেকে ২৫বছরের ছেলেগুলি। আর এই বয়সটা খুব আবেগপ্রবণ ও যৌনকাতর হওয়ার ফলে আগপিছ না ভেবেই ধর্ষণ হতে থাকে কামুক  নারীর হাতে। আমাদের আইনে এখনো সেগুলিকে পুরুষ দ্বারা ঘটিত ধর্ষণ মনে করে। এবং বিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে পরকিয়া, তার জন্যও পুরুষদের দায়ী করে।আমাদের সমাজ এবং আইন এখনো যৌনতা নির্যাতন কেবল পুরুষের সম্পত্তি বা চাওয়া মনে করার কারনেই  দিন দিন পুরুষ ধর্ষণ বাড়ছে কিন্তু সেটা নারী ধর্ষণ-নারীনির্যাতন বলে আইনে লিপিবদ্ধ হচ্ছে।
আইনের চোখে অপরাধী হয়ে অনেক পুরুষ মান-সম্মান, টাকা-পয়সাসহ সবকিছু হারাচ্ছে। মিথ্যা ধর্ষণ মামলার আসামী হয়ে জেল জুলুম ও নিয়মিত হয়রানীর শিকার হচ্ছে।কদিন আগে অনলাইন নিউজে দেখলাম একজন ৩২বছরে ডিভোর্সি নারী ২১বছরের এক ছেলের বিরোদ্ধে বিয়ের প্রলোবনে ধর্ষণ আইনে মামলা করেছে। ঘটনার অন্তরালে ছিল ঐ নারীটি ছেলেটিকে নিয়মিত ধর্ষণ করতো। ছেলেটি যখন নিজেকে ধর্ষণ হতে বাচতে নারীটির সঙ্গত্যাগ করেছিল তখনি সে ধর্ষণ মামলার আসামী। আইনে পুরুষ ধর্ষণ নেই বলে ছেলেটি পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলো। এই ঘটনার আর কোন আপডেট নিউজও আসেনি ।আরেকটি ঘটনা, একজন প্রবাসীর স্ত্রী ১৭ বছরের একটি ছেলের সাথে যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিল। এলাকাবাসী তাকে হাতেনাতে ধরে বেদুম প্রহারের পরে পুলিশে দিয়েছিল। ১৭ বছরের ছেলেটিকে প্রলোভন দেখিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী ধর্ষণ করেছিল আর উলটো তার উপরেই নেমে আসে নির্যাতন। পিতামাতার অবজ্ঞা, প্রহার ও ধর্ষণ মামলাতেও জড়িয়ে গিয়েছিল। ১৭ বছরের একটি ছেলে প্রকৃতিগত ভাবেই ধর্ষণের প্রতি কাতর থাকবে। সেখানে প্রলোভন এবং ইশারাই ছেলেটিকে ধর্ষণ করার জন্য যথেষ্ট। এবং এটাই হয়েছিল।ঠিক একইভাবে ধর্ষিত হয়েছিল ১২ বছরের শিশু  হাসিব।অনেকদিন যাবত একই জাতীয় ঘটনা বারবার মিডিয়ায় আসছে। প্রেমিক প্রেমিকা একে অন্যের সম্মতিতে যৌনতা করে সেটা বলা  হচ্ছে ধর্ষণ। এবং মামলাও হচ্ছে। এই মামলাগুলিও কিন্তু পুরুষ ধর্ষণের মধ্যে পড়ে।এখানেও পুরুষদের জিম্মি করে, ফাদে ফেলে নিয়মিত ধর্ষণ করে কামুক নারীরা। পুরুষটি যখন ধর্ষণ হতে বাচতে চায় এবং ঐ নারীর সংস্পর্শ ত্যাগ করতে চায় ঠিক তখনি তার বিরোদ্ধে অভিযোগগুলি উঠে। বলা হয় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ  এবং আইন সেটা আবারো নারীধর্ষণ বলে ব্যাখ্যা দেয়। আসামী হয় নির্যাতিত পুরুষটিই।পুরুষগুলি আইন সমাজের কাছে কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেনা কারন আইনে পুরুষ ধর্ষণ বা নির্যাতন বলে কিছু নেই। তাই বেশিরভাগ সময় ধর্ষক মেয়েটি হয় তার স্ত্রী এবং কথিত ধর্ষক পুরুষটি হয় তার স্বামী।
একজন ধর্ষক কোনদিন কারো স্বামী বা স্ত্রী হতে পারেনা। তার পরিচয় সে ধর্ষক। 
তাই আইনের কাছে অনুরোধ শত শত পুরুষদের ধর্ষণ হতে মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে ধর্ষণ আইনগুলি লিঙ্গ নিরপেক্ষ দাবী করছি । নারীকেন্দ্রিক ধর্ষণ আইনের কারনে অনেক পুরুষ নিরবে ধর্ষিত হচ্ছে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত। হয়রানীর শিকার হচ্ছে, নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।যা আমাদের ভবিষ্যৎ সমাজে ভয়াবহ রুপ ধারন করবে। নারী বিদ্বেষী তৈরি হবে যা সমাজের জন্য হুমকি। নারী হত্যা, শিশু হত্যা, স্বামী হত্যা অনেক অপরাধের পিছনে কারন রয়েছে নারী কতৃক  পুরুষ ধর্ষণ পুরুষ নির্যাতন ।তাই আমাদের দাবী ধর্ষণ আইনগুলি লিঙ্গ নিরপেক্ষ হোক ।
একজন পুরুষ যেমন একজন নারী বা পুরুষকে নির্যাতন ও ধর্ষণ করতে পারে তেমনি একজন নারীও পুরুষকে নির্যাতন ও ধর্ষণ করতে পারে।
আমাদের দেশে নারীরাই নারীনির্যাতন আইনের অপব্যবহার করেন। সংবিধানে আছে আইনের চোখে সবাই সমান। বাংলাদেশ এভিডেন্স এক্ট ১৮৭২ -এর ধারা অনুযায়ী এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে দোষি করে বিচার চাইলে বাদিকে প্রমান করতে হবে যে বিবাদি দোষি। এ ধারায় বলা হয়েছে শুধু মুখের কথায় বিশ্বাস করা যাবে না। আইনের চোখে বাদি বিবাদি সবাই সমান। থানায় নারী নির্যাতন মামলা করলে যৌতুক চাওয়া হয়েছে বলে বাদিকে প্রমান করতে হবে। কিন্তু দেখা যায় প্রমাণ করার আগেই পত্রিকা ও টিভিতে বিবাদীর নাম খারাপ প্রচারনার করে মামালার মর্মতাকে ধ্বংস করে দেয়া হয় এবং তখন এ ধরনের মামলার বিচার পাবলিক সেন্টিমেন্টের মাধমে করা হয়। একজন পুরুষ খারাপ দেখে সকল পুরুষ খারাপ এবং আইন করে সকল পুরুষ নাগরিকের নাগরিক অধিকার হনন করা কী সংবিধান পরিপন্থী নয়। একে হিটলার পন্থী বলা হয়। আমরা সবাই জানি সাংসারিক ঝগড়া শুধুই ছেলের কারনে হয় না। স্ত্রী পুরুষ দুজনে মিলেই ঝগড়া করেন। কিন্তু থানায় কমপ্লেন করলে শুধুই পুরুষকে দোষি করা হয়। এধরনের মামলায় স্ত্রীর কোন প্রমানও দেওয়ার প্রয়োজন থাকে না। এটা সংবিধান পরিপন্থী। তাছাড়া এত বেশি মিথ্যা মামলা হচ্ছে বাদীর জামিন পেতে বিলম্ব হয়ে থাকে।
নারীবাদীরা বলবেন নারীরা নানান ভাবে নির্যাতনের শিকার। টিভিতে এসব বিষয়ে নাটক সিনেমা তৈরী করে কিন্তু পুরুষদের নিয়ে কোন অনুষ্ঠান দেখা যায় না। দেশের বহুল প্রচলিত পত্রিকা প্রথম আলো খুললেই দেখা যায় নারীদের নিয়ে পৃথক কলাম। এছাড়াও নারী নির্যাতন নিয়ে নানান কথাও শুনা যায়। কিন্তু পুরুষের দুঃখ বেদনা নিয়ে কেউ লেখা লেখি করেন না। পুরুষদের কি কোনই অনুভূতি নেই। এটা মিডিয়াতে লিঙ্গ বৈষম্যতা। সমাজের পুরুষদের দুঃখ, ভালবাসা এবং দুর্দশার কথা বললে হয়তো এ ধরনের একতরফা আইন হতো না। এ ধরনের কলাম করলে কিছু সাংবাদিক এই কলামে লিখার জন্য নতুন কর্ম সংস্থান পাবে এবং নারী ও শিশুদের পাশে পুরুষদের কথাও উঠে আসবে।
সেদিন ই-তথ্যকোষ থেকে জানলাম ঢাকা সিটিতে নারীর দ্বারাই পনের হাজার তালাক দেওয়া হয়। তারপরেও নারীবাদী এবং মিডিয়া বলে বেড়ায় তালাক নাকি নারীর অপমান সরুপ। পুরুষের দ্বারা তালাক হয়েছে পাচ হাজার। এর মধ্যে বারোশ বিবাহ মিমাংসা করে বজায় রাখা হয়েছে । দেশে নাকি তালাকের আইন নারিকে সাপোর্ট করে না। তাতেই পনের হাজার নারী তালাক নিলেন। নারীরা নাকি সংসার চান তাহলে নারীরা এতবেশি তালাক কেন দিলেন। নারীবাদীরা বলবেন নারীরাই নির্যাতনের শিকার কিন্তু প্রমান কি। পত্রিকায় এক ঘটনাকে বারবার লিখা এবং মিডিয়াতে এক ঘটনা বারবার দেখানোর মাধ্যমে আমাদের সমাজের মানুষের মগজ ধোলাই করে রাখা হচ্ছে। সেদিন বাংলা ভিশনে ‘আমি এখন কি করবো’ অনুষ্ঠানে এক পুরুষকে কল করে বলতে শুনলাম উনার স্ত্রী পরকিয়া করে সন্তান ফেলে পরপুরুষের সাথে পালিয়ে গেছেন। সাথে সাথে অনুষ্ঠানের সাইকোলজিস্ট কো-হোস্ট বললেন সবকিছুর পরেও উনি কিন্তু সন্তানের মা কিন্তু সেই নারীকে ধিক্কার দিলেন না। কো‍-হোস্ট কী করে নারীর অন্যায়ের সাপোর্ট নিলেন এবং মহিলাটি খারাপ করেছেন বলে উনাকে দোষীও করলেন না। এর মাধ্যমে কি নারীর পরকিয়াকে উনারা টিভিতে অনুপ্রাণিত করলেন? নিচের খবরটি পড়ুন
দেশে নানান ধরনের ঘটনা ঘটে তাদের মধ্যে নারী দ্বারা অনেক ক্রাইম হয় যা টিভিতে প্রচার করা হয় না। নারীরা সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে উনাদের অবশ্যই সব ক্ষেত্রে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিচার ক্ষেত্রেও সমঅধিকার থাকা উচিত। ইউএন এবং মানবাধিকার সংস্থাও তাদের সংবিধানেও সমান অধিকারের কথা স্বীকার করেন।
সাংসারিক ঝগড়া হলেই নারীনির্যাতনের মামলার ভয় দেখানো বাঙ্গালি মেয়েদের একটি অভ‍্যাসে পরিনত হয়েছে। দেশে অনেক নারীনির্যাতনের ঘটনা শুনি কিন্তু মিথ্যা মামলার কথা কেউ প্রচার করেন না। আর করলেও তা খুবই কম, দেশের বিভিন্ন এলাকায় আঞ্চলিক পত্রিকায় মিথ্যা নারী নির্যাতন মামালার খবর শুনতে পাওয়া যায়। কিন্তু দেশের বহুল প্রচলিত পত্রিকাগুলোতে এর কোন খবর ছাপা হয় না।
তাছাড়া দেনমোহর এটা শরীয়াতের অবশ্য পালনীয় বিধান, এটা ফরজ,এটা সিকিউরিটি মানি কথাটা একদম ঠিক, কথাটা মানতেই হবে কারন এটা পবিত্র কুরআনেও নির্দেশ  আছে। কিন্ত কথা হলোদাম্পত্য জিবন নিয়ে কুরআনে আরো কয়েকটি সুস্পষ্ট নির্দেশও দিয়েছে, যেমন-১, স্ত্রী স্বামীর ১০০% আনুগত্যতা করবে। ২, স্ত্রী’রা বাড়ীর ভিতরে থাকবে তথা পর্দা করবে।     নিজ লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে। ৩, স্বামী ২য়, ৩য়, বা ৪র্থ বিয়ে করবে এক্ষেত্রে স্ত্রীর বাধা দেওয়ার অধিকার নাই। (এখন স্ত্রীরাই ২/৩/৪/৫ টা বিয়ে করে স্বামীর বাধা দেওয়ার ক্ষমতা নাই) 
৪, ইসলামে শরিয়ত সম্মত প্রয়োজন দেখা দিলে তালাক দেওয়ার একমাত্র অধিকার স্বামীর । একই ভাবে প্রয়োজনে স্ত্রী কয়েকজন ব্যাক্তির মাধ্যমে স্বামীর কাছ থেকে তালাক নিতে পারবে,  দিতে নয়।  এটাকে খোলা তালাক বলে।
৪, দুগ্ধ পানকারী সন্তান সহ  তালাক হ’লে স্ত্রী চাইলে সন্তানের আড়াই বছর বয়স পর্যন্ত দুধ পান করাতে পারবে এবং এরপর সন্তানের উপর  অধিকারও বাবার দায়িত্ব ও বাবার। (আমাদের দেশে সন্তান মায়ের আর সন্তানের দায়িত্ব ও খরচ পিতার) 
কুরআনের এতগুলো নির্দেশ পালনের তেমন উৎসাহ কারো মধ্যে তেমন দেখা না গেলেও দেনমোহর (তাও আবার বরের পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করেও যেটা পরিশোধ সম্ভব নয় সেই) একটা ফরজ পালন নিয়ে অনেকের মধ্যেই প্রতিযোগিতা দেখা যায়। এই ধরণের অত্যাচার থেকে নিরিহ লোকদের বেরিয়ে আনতে হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021
WEB DEVELOPMENT BY KB-SOFTWARES