
কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার নানীবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) সকাল ৭টায় উপজেলার ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে আব্দুল্লাহপুর গ্রামে তার শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে নানীর বাগান বাড়ির আঙিনায় তাকে দাফন করা হয়।
কারিনা কায়সার জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ ও লোপা কায়সার দম্পতির কন্যা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৭ মে) রাতে ঢাকায় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কারিনার মরদেহ গজারিয়ায় আনা হয়। সোমবার সকালের জানাজায় স্থানীয় লোকজন অংশ নিলেও পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানাজা ও দাফনের কার্যক্রম সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পরিবেশে সম্পন্ন করা হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানাজা ও দাফনস্থলে মোবাইল ফোন বা ক্যামেরা নিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি গণমাধ্যমকর্মীদেরও ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানানো হয়। পরিবার চেয়েছে, প্রিয়জনকে শেষ বিদায় জানানোর মুহূর্তটি যেন প্রচার ও অতিরিক্ত ভিড়মুক্ত শান্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
দাফন শেষে কারিনার ছোট ভাই সাদাত হামিদ বলেন, ঢাকায় তিনটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেখানে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি ছিল। তবে দাফনের সময় পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো মিডিয়াকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি জানান, অতিরিক্ত লোকসমাগম ও প্রচারের বাইরে থেকে শোকের মুহূর্ত কাটানোর উদ্দেশ্যেই তারা গ্রামের বাড়িতে দাফনের ব্যবস্থা করেন।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে লিভারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন কারিনা কায়সার। চিকিৎসার জন্য তিনি ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার (১৫ মে) তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। রোববার বিকেলে বিমানযোগে তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছালে পিতা কায়সার হামিদসহ স্বজনরা অশ্রুসিক্ত নয়নে মরদেহ গ্রহণ করেন। পরে ঢাকায় জানাজা ও শহীদ মিনারে আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন শেষে মরদেহ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই তাকে চিরবিদায় জানানো হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আরিফ খান
Developed by Shakil IT Park