
নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের নারী প্রধান পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এই কর্মসূচি শুরু করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং নিজ হাতে বেগম পারভিন, বেগম বাসুনা, বেগম সমলা, বকুলা বেগম, বেগম জোসনা, তাসলিমা আক্তার, বেগম রাশেদা আক্তার, বেগম হোসনা আক্তার, রীনা বেগম, বেগম শামসুন্নাহার, রোকসানা আক্তার, মারফুজা, রীনা আক্তার, সুমি খাতুন, আকলিমা বেগম ও মিনারা বেগমের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। এরপর ল্যাপটপের মাধ্যমে একযোগে দেশের ১৩টি জেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ৩৭,৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে, তবে বড় বা যৌথ পরিবারের ক্ষেত্রে কার্ড সংখ্যা আনুপাতিকভাবে বাড়ানো যাবে। উপকারভোগীরা প্রাথমিকভাবে মাসিক ২,৫০০ টাকা হারে নগদ সহায়তা পাবেন। পরবর্তীতে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
প্রত্যেক পরিবারের তথ্য যাচাই-বাছাই করে “প্রক্সি মিনস টেস্ট” সফটওয়্যারের মাধ্যমে দারিদ্র্যের সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি চাকরি বা পেনশনপ্রাপ্ত, বিলাসবহুল সম্পদসমৃদ্ধ পরিবারের সদস্যরা সুবিধার আওতায় থাকবেন না। ফ্যামিলি কার্ডগুলো আধুনিক ও নিরাপদ প্রযুক্তিতে তৈরি—স্পর্শবিহীন চিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
সরকারের এই উদ্যোগ প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের পথে বড় ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আরিফ খান
Developed by Shakil IT Park