
চতলবাড়ি–নারিকেলি সড়ক নদী ভাঙনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করলেও সাম্প্রতিক ভাঙনে সড়কের কিছু অংশ সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ঘুরে দেখেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিনিয়ত মাটি ধসে পড়ছে। এতে সড়ক সরু হয়ে যাচ্ছে এবং ভারী যান চলাচলে ঝুঁকি বাড়ছে। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে নদী ভাঙন প্রতিরোধে “সুগন্ধ্যা ও সন্ধ্যা নদীর ভাঙন হতে বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ ও উজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রক্ষা কাজ (১ম পর্যায়)” শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রায় ৯৫৫৪৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্প বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩০ পর্যন্ত।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) জানিয়েছে, প্রকল্পের ডিপিপি সংশোধন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এরই মধ্যে ঝুঁকি কমাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নজরদারি বৃদ্ধি এবং স্থানীয়দের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তবে প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এলাকাবাসী দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা পাবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আরিফ খান
Developed by Shakil IT Park