
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ডিন নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার (১৩ মে) ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ এমদাদুল হকের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিধিবহির্ভূত ডিন নিয়োগ’ এবং ‘বিধি মোতাবেক ডিন নিয়োগ হয়নি’ শিরোনামে কয়েকটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রশাসনের নজরে এসেছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩) অনুযায়ী বিজ্ঞান, কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, প্রকৌশল, বিজনেস স্টাডিজ ও আইন অনুষদের ডিনদের নিয়োগের মেয়াদ গত ১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে শেষ হওয়ায় পূর্বে দায়িত্ব পালনকারী ডিনদের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ডিন নিয়োগ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ বিষয়ে গত ৭ মে অনুষ্ঠিত ১০৯তম সিন্ডিকেট সভায় আলোচনা শেষে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইন বিশেষজ্ঞের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই অনুযায়ী মতামত চেয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে। মতামত না পাওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে গত ১১ মে ছয়জন অধ্যাপককে ছয় অনুষদের ডিনের দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা ১২ মে থেকে কার্যকর হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞের মতামত পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী দুই বছরের জন্য নিয়মিত ডিন নিয়োগ দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, 'সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিন নিয়োগ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইন বিশেষজ্ঞের মতামত চাওয়া হয়েছে। মতামত পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা অনুসারে দুই বছরের জন্য স্থায়ীভাবে ডিন নিয়োগ দেওয়া হবে। বর্তমানে ডিনদের দায়িত্ব প্রদানটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা।'
তিনি আরও বলেন, 'অফিস আদেশে ডিনদের দায়িত্ব পালনের কথা বলা হয়েছে, তবে কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ বা আইনের ধারা উল্লেখ করা হয়নি। আইন বিশেষজ্ঞের মতামত না আসা পর্যন্ত প্রশাসনিক প্রয়োজনেই এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।'
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আরিফ খান
Developed by Shakil IT Park