
রাজধানীর শ্যামলীতে সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন মঈন উদ্দিন। চাঁদা না দেওয়ায় তিনি হুমকি দিয়ে হাসপাতাল এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন বলেও জানিয়েছে র্যাব। চাঞ্চল্যকর এই চাঁদাবাজির মামলায় প্রধান অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীর রমনা বটমূলে র্যাবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে রমনা পার্কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ।
র্যাব ডিজি বলেন, অভিযুক্ত মঈন উদ্দিন অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু চাঁদা না দেওয়ায় তিনি হুমকি দেন এবং হাসপাতাল এলাকায় ভয়ভীতি ছড়িয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করেন। ঘটনার পর মামলা দায়ের হলে অভিযান চালিয়ে মঈনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
এর আগে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এক বার্তায় গ্রেপ্তার হওয়া সাতজনের পরিচয় সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেন।
র্যাব জানায়, মামলার মূলহোতা মঈন উদ্দিনকে নড়াইল জেলার কালিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ১১ এপ্রিল সিকেডি হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ বাদী হয়ে শেরেবাংলানগর থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে এক নম্বর আসামি করা হয়।
ঘটনার দিন শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে শ্যামলীর সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে চাঁদাবাজি ও মব সৃষ্টির অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করলে কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হয়।
পরে রাতেই কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক চিকিৎসক কামরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন বলেও জানা গেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আরিফ খান
Developed by Shakil IT Park