বিগত সৈরাচারী সরকারের আমল থেকে সানাউল্লাহ নামের জৈনক বার্মায়া নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে হ্নীলা পানখালী এলাকার নিরীহ লোকজনের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে বিভিন্ন বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছে বলে অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী লোকজন।
৩ আগস্ট রবিবার বিকেলে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড পশ্চিম পানখালী এলাকায় ভুক্তভোগী নিরীহ লোকজনের ব্যানারে এক মানববন্ধনে এসব অভিযোগ উঠে আসে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী নুরুল আমি( ৩৫) জানায় সানাউল্লাহ একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ, মানব পাচারকারী ও বিভিন্ন প্রশাসনের সোর্স পরিচয়ধারী দালাল।সে আমাদের কাছ থেকে মোটাংকের টাকা দাবী করেছিল আমি টাকা না দেয়ায় মরিচ্যাঘোনার মিথ্যা অপহরণ মামলায় জড়িয়ে দিয়েছে। নুর হোছন ( ৫৫) বলেছেন আমি একজন টমটম চালক আমার কাছ থেকে কি কারণে সে টাকা দাবী করছে আমি টাকা না দেয়ায় বৃদ্ধ বয়সে আমার বিরুদ্ধে ও মিথ্যা মামল দিয়েছে। এলাকার সামান্য পথ দোকানী হাঁপানী রোগী শামসুল আলম (৫০) বলেছেন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পথ দোকান করছি হঠাৎ সানাউল্লাহ আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবী করেছে আমি তাকে চাঁদা না দেয়ায় আমি এবং আমার ছেলে তারেক কে মিথ্যা মামলায় টুকিয়ে দিয়েছে। জৈনক ভদ্র মহিলা নুরুচছফা( ২৭) বলেছেন ছানাউল্লাহ আর আমার বাড়ি পাশাপাশি সীমানাবিরোধের জের ধরে আমার কাছথেকে টাকা দাবী করলে না দেয়ায় আমার স্বামী ও আমাকে মামলা দিয়েছে।
এব্যপারে এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জাহাঙ্গীর আলম টিপু বলেছেন এলাকার একজন সচেতন মানুষ হিসেবে আমাকে দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী লোকজন অভিযোগ করেছিল আমি তার সাথে বসে এগুলো সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছিলাম সে কোন কর্ণপাত করেনি। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহনের জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।
এইভাবে বিভিন্ন অজুহাতে এলাকার নিরীহ লোকজনের কাছ থেকে চাঁদা দাবী করার পর
কেউ চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের উপর বিভিন্ন বাহিনী দিয়ে নানা নির্যাতনের হুমকি ও মিথ্যামামলার খড়গ নেমে আসে।
কে সেই সানাউল্লাহ? এলাকাবাসীর দাবী সানাউল্লাহ একজন বার্মায়া নাগরিক, সে দীর্ঘ বছর আগে বান্দরবান জেলার পার্বত্য এলাকার পরিচয়ে বাংলাদেশের ন্যাশনাল আইডি কার্ড করে বাঙ্গালী সেজে হ্নীলা এলাকায় এসে জৈনক শামসুদ্দিনের মেয়ে কে বিবাহ করে পশ্চিম পান খালী এলাকায় বসবাস করছে। সেই সুবাদে সানাউল্লাহ এলাকার নিরীহ ও সহজ সরল প্রকৃতির লোকদের সরলতা কে দূর্বলতা ভেবে চাঁদাবাজি করে এলাকা কে অতিষ্ঠ করে তুলেছে যার প্রমাণ এলাকার ভুক্তভোগী নিরীহ লোকজন ও মা বোনদের এই মানববন্ধন।
মানুষ কতটা অতিষ্ঠ হলে পরে মানববন্ধনের মত কর্মসূচী নিয়ে রাস্তায় নামে এটা রীতিমতো এলাকাবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে।
আর একজন রোহিঙ্গা ও সোর্স পরিচয়ধারী দালালের কদর প্রশাসনের কাছে এতই বেশী যে,যার জন্য একজন মানুষের কারণে এলাকার নিরীহ শতশত মানুষ কে বিনা কারণে কর্ষ্ট পেতে হবে।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী লোকজন দাবী তুলেছে সানাউল্লাহর অপকর্মের তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিষয়টি জানার জন্য অভিযুক্ত ছানাউল্লাহর মুটোফোনে( ০১৮১১৫৯৫৪৫১) একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ও তাকে নাপাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভবহয়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আরিফ খান
Developed by Shakil IT Park