পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিন রোববার সকাল থেকেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ভোগান্তি বা বিশৃঙ্খলার চিত্র দেখা যায়নি।
সরকারি ছুটি শুরুর আগেই অনেক যাত্রী ভিড় এড়াতে আগেভাগে বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে অন্তত ছয়টি ট্রেন ছেড়ে গেছে। বেশিরভাগ ট্রেন নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি চলাচল করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।
যাত্রীরা জানান, এবারের ঈদযাত্রায় তুলনামূলকভাবে কম ভোগান্তি হচ্ছে এবং স্টেশনের ব্যবস্থাপনাও সন্তোষজনক।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে স্টেশনে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকানোসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।
এদিকে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামীকাল থেকে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালু করা হবে। অর্থাৎ অতিরিক্ত ১০টি ট্রেন চলাচল করবে, যা ঈদযাত্রাকে আরও স্বস্তিদায়ক করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রেলমন্ত্রী বলেন, “আজ দুটি ট্রেনে উঠে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি। সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ভালো মনে হয়েছে। তবে সকাল থেকে তিনটি ট্রেন কিছুটা বিলম্বে ছেড়েছে। এর মধ্যে একটি প্রায় ৩০ মিনিট এবং আরেকটি প্রায় এক ঘণ্টা দেরি করেছে। সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।”
মন্তব্য করুন