1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : Daynik Kotha : Daynik Kotha
  3. mdtanjilsarder@gmail.com : Tanjil News : Tanjil Sarder
স্বপ্নকে জাগিয়ে তুলতে, ৪০ বছর বয়সে একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে এক দম্পত্তি - দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোনাইমুড়ী থানার নেতৃত্বে সাজা পরোয়ানাভূক্ত আসামী গ্রেফতার রাজাপুরে স্ত্রীকে হত্যা করে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখলেন স্বামী প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে সন্মান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে করে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করলেন আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মহিউদ্দিন মহারাজ কিশোরগঞ্জে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক ব্র্যাকের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রাণীশংকৈলে বিশ্ব নদী দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা কিশোরগঞ্জে প্রক্সি পরীক্ষার্থী আটক কিশোরগঞ্জে বিষপানে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা রাণীশংকৈলে দুর্গাপূজার প্রতিমার র্পূণ রূপ দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎ শিল্পীরা কাঁচারাস্তা পাঁকা করনের দাবিতে দশমিনায় মানববন্ধন দ্বিতীয় বারের মতো ফাইনালে গণ বিশ্ববিদ্যালয়

স্বপ্নকে জাগিয়ে তুলতে, ৪০ বছর বয়সে একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে এক দম্পত্তি

মোহাম্মদ আলী স্বপন
  • প্রকাশ শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২

 2 বার পঠিত

পাবনা প্রতিনিধি> কথায় আছে শিক্ষার কোনো বয়স নেই। মনোবল আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি পারে সকল কৃতিত্ব অর্জন করতে। মনের ভেতর লুকিয়ে থাকা স্বপ্নকে জাগিয়ে তুলতে। তাই বয়সকে তুচ্ছ মনে করে ৪০ বছর বয়সে শিক্ষা অর্জনে এক সঙ্গে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন নাটোরের গুরুদাসপুরের এক দম্পতি।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা পৌর সদরের বেগম রোকেয়া গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এক দম্পতি।
গুরুদাসপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খামারনাচঁকৈড় মহল্লার মৃত আসাদ আলী মোল্লার ছেলে ও সাবেক কাউন্সিলর মো. ফজলুর রহমান (৪০) ও তার স্ত্রী মোছা. মর্জিনা বেগম (৩০) একই মহল্লার মৃত মজিবর রহমানের মেয়ে।

দুজনই উপজেলার বিয়াঘাট কারিগরি কমার্স কলেজের ভোকেশনাল শাখার ২০২২ সালের শিক্ষার্থী।
পরীক্ষার্থী ফজলুর রহমান বলেন, আমার বয়স এখন ৪০ বছর। আমার স্ত্রীর প্রায় ৩০ বছর। আমাদের সংসারে একটি মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন পর আমরা দুইজন সিদ্ধান্ত নেই আমরা আবার পড়াশোনা শুরু করবো। পরে দুজনই একই সাথে বিয়াঘাট কারিগরি কমার্স কলেজে ২০২০ সালে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হই। নিয়মিত স্কুলে না যেতে পারলেও বাড়িতে দুইজন পড়াশোনা করতাম।

কোভিড-১৯ (মহামারী করোনা) এর কারণে প্রথমে পরীক্ষা না হলেও ২০২২ সালে এসে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ছেলেমেয়েদের কথা চিন্তা করে নতুন করে পড়াশোনা শুরু করেছি। সাধ্যমত চেষ্টা করবো উচ্চ ডিগ্রি অর্জন করার।

ফজলুর রহমান আরও বলেন, ৫ বছর কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করে সাধারণ মানুষের সেবা করেছি। অনেক জায়গায় ঘুরেছি। দেখেছি যারা নিরক্ষর তাদের কষ্ট এবং তাদের ছেলেমেয়ের ভবিষ্যত। আমি এসএসসি পাশ করার পর ডিপ্লোমা কোর্স করবো আমার স্ত্রীকেও করাবো। একসময় আমার ছেলে-মেয়ে বড় হয়ে তারা গর্ববোধ করবে তাদের বাবা মাও শিক্ষিত।

ফজলুর রহমানের স্ত্রী মর্জিনা বেগম বলেন, আমি ২০০৯ সালে পড়াশোনা বাদ দিয়েছিলাম। আমার স্বামীর আগ্রহে দুজন পরামর্শ করে আবার নতুন করে পড়াশোনা শুরু করেছি। দুইজন এক সঙ্গে বাড়িতে পড়াশোনা করে আবার এক সঙ্গে পরীক্ষা দিচ্ছি। আমার খুব ভালো লাগছে। আমরা আরও অনেক পড়াশোনা করতে চাই।

গুরুদাসপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, এই বয়সে এসেও তাদের পড়াশোনার প্রতি যে আগ্রহ আছে তা প্রশংসনীয়, আমি তাদের সাফল্য কামনা করি। সকলেরই শিক্ষা গ্রহণ করা অতি জরুরী।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park