1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
সেহরির সময় আজান দিলে রোজা হবে কি? – দৈনিক দেশেরকথা
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী’র বিশেষ সহকারী হি: নিয়োগ পেলেন সাদ্দাম হোসেন আলমডাঙ্গায় প্রধান শিক্ষকের পিটুনিতে ৮ শিক্ষার্থী আহত পুরুষের কোন বয়সে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা সবচেয়ে ভালো থাকে? ভেড়ামারায় ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৬ বিজ্ঞান মেলা” শুভ উদ্বোধন বেনাপোল পৌরবাসীর সেবক হতে চান মফিজুর রহমান নববর্ষ বরণে মুখর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস গ্রেপ্তারের ৬ দিন পর জামিনে কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ইরানকে টোল দেওয়া জাহাজ আটকানোর নির্দেশ, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের কুড়িগ্রামে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জ্বালানি সংকট নিরসনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ  গোপালপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৭০  লক্ষ টাকার মালামাল ভস্মীভূত

সেহরির সময় আজান দিলে রোজা হবে কি?

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬


রমজান মাসে সেহরি ও ইফতারকে ঘিরে মুসলমানদের মাঝে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো—সেহরি খাওয়ার সময় যদি ফজরের আজান শুরু হয়ে যায়, তাহলে কি রোজা হবে? বিষয়টি নিয়ে ইসলামি শরীয়তে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

ইসলামে রোজা শুরু হয় ফজরের সাদিক তথা সুবহে সাদিক উদয়ের সঙ্গে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন, “তোমরা পানাহার করো যতক্ষণ না সাদা সূতা কালো সূতা থেকে পৃথকভাবে প্রতিভাত হয় (অর্থাৎ ফজরের আলো প্রকাশ পায়), তারপর রাত পর্যন্ত রোজা পূর্ণ করো।” অর্থাৎ ফজরের সময় শুরু হয়ে গেলে পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

সাধারণত আমাদের দেশে ফজরের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আজান দেওয়া হয়। তাই যদি আজান শুরু হওয়ার পরও কেউ খেতে থাকেন, তাহলে বিষয়টি সময়ের ওপর নির্ভর করবে। যদি নিশ্চিতভাবে ফজরের সময় শুরু হয়ে যায় এবং এরপরও খাওয়া চালিয়ে যান, তবে সে দিনের রোজা সহিহ হবে না; পরবর্তীতে কাজা করতে হবে। তবে যদি সন্দেহ থাকে—আজান সময়ের আগেই দেওয়া হয়েছে কি না—এবং ব্যক্তি সময় শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত না হন, তাহলে তার রোজা হয়ে যাবে।

ফকিহদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যদি কারও মুখে খাবার থাকে আর ঠিক তখনই আজান শুরু হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তা গিলে না ফেলে মুখ থেকে বের করে ফেলাই উত্তম। কারণ সময় শুরু হয়ে গেলে রোজা আরম্ভ হয়ে যায়।

অতএব, সেহরির ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগেই খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করা নিরাপদ। এতে সন্দেহ বা ভুলের সম্ভাবনা থাকে না এবং রোজাও নিশ্চিন্তে আদায় করা যায়।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park