1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
  3. mdtanjilsarder@gmail.com : Tanjil News : Tanjil Sarder
সুন্দরগঞ্জে মনিটরিং জোরদার সারের দোকানে কৃষকের উফছে পরা ভীড় - দৈনিক দেশেরকথা
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যাংকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জমার ক্ষেত্রে গ্রাহককে কোনো ধরনের প্রশ্ন না করার নির্দেশ: বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও বাড়ল এলপিজি গ্যাসের দাম কিশোরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় প্রধান শিক্ষক জেল হাজতে কিশোরগঞ্জে পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পুরণে পেঁপের চারা বিতরণ লেখাপড়া করতে চায় প্রতিবন্ধী রজনী এবার বাবার পদাংক অনুসরণ করে সিনেমায় নাম লেখালেন ডিপজলকন্যা ওলিজা মনোয়ার দেশেরর ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দামের রেকর্ড ইবিতে ছাত্র ইউনিয়নের দিনব্যাপী ‘সাংগঠনিক কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত আগামীকাল রবিবার চট্টগ্রামে ৩০টি প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জুন মাসের পর ডিজেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ

সুন্দরগঞ্জে মনিটরিং জোরদার সারের দোকানে কৃষকের উফছে পরা ভীড়

হযরত বেল্লাল
  • প্রকাশ সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২

 40 বার পঠিত


সুুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি> গত এক সপ্তাহ ধরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিসিআইসি অনুমোদিত ১৬টি রাসায়নিক সারের ডিলারের দোকানে কৃষকের উফছে পরা ভীড় লক্ষ করা গেছে। খুচরা বিক্রেতার নিকট সার বিক্রি বন্ধ এবং প্রয়োজনের তুলনায় কৃষক যাতে করে বেশি সার ক্রয় করতে না পারে সে জন্য উপজেলায় মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।

পাশাপাশি প্রতিটি ডিলারের দোকানে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণের উপস্থিতিতে সার বিক্রি নিশ্চিত করা হয়েছে।           

গত রোববার বিকালে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা, শান্তিরাম ও শ্রীপুর ইউনিয়নের বিসিআইসি রাসায়নিক সার ডিলার মনিটরিং ও সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রয়ের পরামর্শ প্রদান করেন।

এ সময় উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির ও এসএপিপিও সাদেক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।          

এদিকে কৃষকের দাবি চাহিদা মোতাবেক সার দিচ্ছে না ডিলার। অপরদিকে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর ও ডিলারদের দাবি সারের কোন ঘাটতি নেই। কৃষকরা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি করে সার ক্রয় করে রাখার চেষ্টা করছে।           

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নের ১৬টি রাসায়নিক সারের ডিলারের দোকানে রোববার সকাল পর্যন্ত ইউরিয়া মজুদ রয়েছে ৯৭ মেট্রিক টন। এছাড়া টিএসপি ৫৯, এমওপি ৫ এবং ডিএফপি ২৮ মেট্রিকটন মজুদ রয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর প্রতিটি ডিলার ৫০ মেট্রিক টন করে ইউরিয়া সারের বরাদ্দ পাবে।              

দহবন্দ ইউনিয়নের কৃষক বাবু মিয়া জানান, তার সারের প্রয়োজন ৩ বস্তা। কিন্তু ডিলার এক বস্তার বেশি সার তাকে দিচ্ছে না। সে ৫ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষাবাদ করেছে। তিনি আরও বলেন ডিলাররা খুচরা বিক্রেতার নিকট সার বিক্রি করছে। অথচ কৃষককে এক বস্তার বেশি দিচ্ছে না।           

বেলকা ইউনিয়নের সারের ডিলার আমিনুল ইসলাম জানান, অনেক কৃষক বেশি করে সার দাবি করছে। খুচরা বিক্রেতাদের নিকট সার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে  আগামী ১ সেপ্টেম্বরের পর থেকে কৃষকের চাহিদা আর থাকবে না।           

উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির জানান, উপজেলায় সারের কোন সংকট নেই। কৃষকরা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি করে সার ক্রয় করে বাড়িতে মজুত করে রাখার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন উপজেলায় প্রতিদিন মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। রেজিষ্টারে কৃষকদের নাম লিখে সার বিতরণ করা হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের নিকট সার বিক্রি সম্পন্নরুপে বন্ধ রয়েছে।          

উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, “উপজেলার ১৬টি ডিলারের দোকানে পর্যাপ্ত পরিমানে সার মজুত রয়েছে”। তবে কিছু সংখ্যক অসাধূ কৃষক বেশি করে  সার ক্রয় করে রাখার চেষ্টা করছে। সে জন্য উপ-সহকারি কৃষি কর্মকতাদের উপস্থিতিততে কৃষক নির্বাচন করে সার বিতরণের ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।  

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park