জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ বরকতময় ও মর্যাদাপূর্ণ। এই দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে নবী করিম (সা.) বলেছেন:
“সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুমার দিন। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এই দিনেই জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। কিয়ামতও এই দিনেই সংঘটিত হবে।”
— (সহিহ মুসলিম: ৮৫৪)
এই হাদিসে জুমার দিনের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আদম (আ.)-এর সৃষ্টি ও তার জান্নাতে প্রবেশ, নিষ্কাষণ এবং ভবিষ্যতের কিয়ামত — সবকিছুই এই দিনের সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে এই দিনটি শুধু ইবাদতের জন্য নয়, চিন্তা ও আত্মশুদ্ধিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
শুক্রবার মুসলমানদের জন্য সাপ্তাহিক ঈদের দিনও বটে। এই দিনে জুমার নামাজের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ একত্রিত হয়। অনেকে রোজা রাখে বৃহস্পতিবার-শুক্রবার মিলিয়ে। এ দিন দোয়া কবুলের একটি বিশেষ সময় রয়েছে, যা হাদিসে উল্লেখ আছে।