1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
  3. mdtanjilsarder@gmail.com : Tanjil News : Tanjil Sarder
লেখাপড়া করতে চায় প্রতিবন্ধী রজনী - দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিজ্ঞান শিক্ষায় পিছিয়ে বাংলাদেশ, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বিজ্ঞান শিক্ষার দৈন্যতা বড় একটি চ্যালেঞ্জ বগুড়ায় উপনির্বাচন নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের ধন্যবাদ জ্ঞাপন কিশোরগঞ্জে ভিজিডি কার্ডের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত পাচ্ছেন সুবিধাভোগীরা কোনো কারনে পাঠ্যবই পৌঁছতে দেরি হলে ওয়েবসাইট থেকে পড়াতে শিক্ষকদের পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী কলেজে অফিসার্স কাউন্সিল নির্বাচন ২০২৩ সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে যাবেন জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-২ উপ-নির্বাচন ঠাকুরগাঁওয়ে ভোটকেন্দ্রে নেই ভোটারের দেখা চাটখিলে রেড ক্রিসেন্টের উদ্যেগে শীতবস্ত্র বিতরণ ইবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে পিএইচডি সেমিনার

লেখাপড়া করতে চায় প্রতিবন্ধী রজনী

টুটুল রবিউল
  • প্রকাশ রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২২

 63 বার পঠিত

সাত বছর বয়সে জ্বর হয়। জ্বর ছিল বেশ কয়েকদিন। অর্থাভাবে ভাল চিকিৎসা হয়নি। হাসপাতালের ঔষধ খেয়ে জ্বর থামলেও তার দুই হাত আর দুই পা অবশ হয়ে যায়। সেই থেকে বাইরের আলো দেখা হয়না রজনীর। 

রজনীর বয়স যখন চার বছর তখন তার বাবা তাকে ও তার মাকে ফেলে অন্যত্র বিয়ে করে চলে যায়। রজনী যখন নয় বছরের তখন তার মার বিয়ে হয় অন্যত্র। তখন থেকেই নানী লাইলীর কাছে থাকে রজনী। নানী যখন অন্যের বাড়ী কাজ করতে যায় তখন পুরো বাড়িতে একা।

রজনীর বয়স এখন ১৪। নানী লাইলীই তার বন্ধু, তার পৃথিবী।

রজনী লেখাপড়া করতে চায়, স্কুলে যেতে চায়, বাইরে গিয়ে সমবয়সীদের সাথে খেলতে চায়। কিন্তু একা চলতে পারেনা। নানী অন্যের বাসায় কাজ করে তাই তাকে বাইরে নিয়ে যাবার কেউ থাকেনা। চোখের কোনের অশ্রু লুকিয়ে রজনী জানায়, যখন নানী বাড়িতে থাকেনা তখন টিভি দেখেই তার সময় কাটে।

রজনী আরও জানায়, সে যখন অসুস্থ্য হয় তখন তার পিতা ইমরান আলীকে মোবাইল (নানীর মোবাইল) করলে তাকে তার পিতা গালিগালাজ করে এবং সে তার মেয়ে নয় বলে জানায়। তবে তার মা সুমী মাঝে মাঝে দেখতে আসে। তখন তার খুব ভাল লাগে। রজনী স্কুলে যেতে ও সুস্থ্যভাবে বেঁচে থাকতে প্রধানমন্ত্রী ও বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করে।

রজনীর নানী লাইলী জানায়, ৪০ বছর আগে তাকে ছেড়ে তার স্বামী অন্যত্র বিয়ে করে চলে যায়। তখন থেকে রজনীর মাকে নিয়ে সে সংগ্রাম করে টিকে আছে। কিন্তু অভাব তার পিছু ছাড়েনি। মেয়ে সুমীর বিয়ে দেয় পার্শ্ববর্তী ইমরানের সাথে। নাতনী রজনী হবার চার বছর পর জামাইও মেয়েকে ছেড়ে দেয়। মেয়ে সুমীর দ্বিতীয় বিয়ে দেয়ার পর থেকে সে নাতনী রজনীকে নিয়ে রেলবস্তীর বাসায় থাকে। লাইলী জানায়, স্বামী পরিত্যক্তের কাগজ না থাকায় সে ভাতা পায়না। অনেক ছুটাছুটির পরও নাতনী রজনীর প্রতিবন্ধীর ভাতাও করতে পারেনি। পরের বাড়ী কাজ করে কোনরকমে সংসার চলে। টাকা না থাকায় রজনীর চিকিৎসা ঠিকমত করতে পারেনা। গত শনিবার জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবসে সমাজসেবা অফিস থেকে রজনীকে একটি হুইল চেয়ার দিয়েছে বলে জানায় লাইলী।

লাইলী ও রজনীর ভাতার কার্ডের বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-৩ নাজনিন ফাতেমা জানান, শীঘ্রই তাদের ভাতা চালুর ব্যবস্থা করা হবে। জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক উম্মে কুলসুম জানান, তারা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়ে বললে দ্রুত ভাতার কার্ড হয়ে যাবে। 

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park