ঝালকাঠির রাজাপুরে রাতের আধারে ঘরে প্রবেশ করে মা’কে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৭ বছর বয়সী ১০ শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে (১৫নভেম্বর) মঙ্গলবার রাতে আলী হোসেন মোল্লা ও তার সহযোগী ফুহাত মীর’কে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। আলী হোসেন মোল্লা ছোট কৈবর্তখালী এলাকার মৃত আনেচ মোল্লার ছেলে এবং তার সহযোগী ফুহাত মীর (২২) বড় কৈবর্তখালী এলাকার মো. শাহ আলম মীরার ছেলে।
থানায় মামলা দায়েরের পরে রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে আলী হোসেন মোল্লা’কে গ্রেফতার করেছে।মামলা সুত্রে জানাযায়, ঘুর্ণিঝড় সিত্রাং এর পরে কয়েকদিন ভূক্তভোগীর বাড়িসহ ঐ এলাকা বিদ্যুৎবিহীন ছিল।
গত (২৮ অক্টোবর) শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে আলী হোসেন ও ফুহাত ভূক্তভোগী পরিবারের বসতবাড়ির জানালার কাঠের শিক ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে ভুক্তভোগীর মা জোছনা বেগম’কে বেঁেধ ফেলে এবং গলায় চাকু ঠেকিয়ে জিম্মি করে আলী হোসেন ছাত্রীকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় ফুহাত ছাত্রীর মায়ের কাছে পাহাড়ায় ছিল।
ধর্ষণ শেষে টসলাইটের আলোতে অভিযুক্তরা তাদের চেহারা দেখিয়ে ঘটনা প্রকাশ না করতে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি দিয়ে চলে যায়। সকালে ভূক্তভোগী পরিবারটি কাউকে কিছু না বলে আলী হোসেন ও ফুহাতের ভয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশের সহায়তায় ভূক্তভোগী পরিবার এলাকায় এসে মঙ্গলবার রাতে আলী হোসেন ও তার সহযোগী ফুহাতকে আসামি করে মামলা করে। ঐ মামলার প্রধান আসামি আলী হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
রাজাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ পুলক চন্দ্র রায় বলেন, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে (১৬ নভেম্বর) বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর জবান বন্দী রেকর্ড করতে আদালতে পাঠানো হয়েছে।