শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৬:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

বিক্রি হয়নি ত্রিশালের দেশ সেরা কালোমানিক, হতাশায় সুমন!

ইমরান হাসান
  • প্রকাশ শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২
  • ৬৪ বার-পাঠিত

ত্রিশাল প্রতিনিধি>এবারের কোরবানির ঈদেরও বিক্রি হলোনা ময়মনসিংহের ত্রিশালে দেশ সেরা ৫০ মণ ওজনের কালো মানিক। এই ঈদে ঢাকার গাবতলী কালোমানিকের দাম উঠেছে ১৭ লাখ টাকা।

২০২১সালের কোরবানির ঈদে কালোমানিকের বাজার দাম উঠেছিল ২০ লাখ টাকা। ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বিক্রি হয়নি। তাই কালো মানিকের মালিক আরও একবছর লালন-পালন করে এই কোনবানির ঈদে ৫০মণ ওজনের কালোমানিক ষাঁড়টির দাম হাকিয়ে ছিলেন ৪০লাখ টাকা।

ষাঁড়টির মালিক জাকির হাসান সুমন জানান, অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির ও কালো রঙের হওয়ায় আদর করে এর নাম রাখা হয়েছে কালো মানিক। কালো মানিকের নাম আশপাশের এলাকাসহ সবার মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে । গত কুরবানির ঈদে কালো মানিকের দাম হয়েছিল ২০ লাখ টাকা।

ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বিক্রি হয়নি। তাই কালো মানিকের মালিক আরও এক বছর লালন-পালন করে এ কুরবানির ঈদে ৫০ মণ ওজনের কালো মানিকের দাম চেয়েছিলাম ৪০ লাখ টাকা।

কিন্তু দুঃখের বিষয় এবারও ন্যায্য দাম পাইনি। গতবারের চেয়ে আরও তিন লাখ টাকা কম বাজার দাম উঠেছে। এই গরুটি ময়মনসিংহ তথা দেশ সেরা সবচেয়ে বড় গরু।

জানা যায়, এটি ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় কালো মানিক। গত পাঁচ বছর ধরে লালন-পালন করে আসছেন উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের খামারি জাকির হোসেন সুমন। কালো রঙের হওয়ায় ষাঁড়টি দেখতে খুবই সুন্দর ও আকর্ষণীয়।

তার আকৃতি এবং রঙ সবইকে আকর্ষণ করে। কালো মানিকের মালিক জাকির হোসেন সুমন জানান, অনেক শখ করে গত পাঁচ বছর ধরে এই ষাঁড়টিকে আমি দেশীয় খাবার খাইয়ে যতœ আর ভালোবাসা দিয়ে বড় করেছি।

খাবার হিসেবে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার টাকা খরচ হয়। কৃত্রিম কোনো কিছু খাওয়ানো হয় না। প্রাকৃতিক উপায়ে খৈল, ভুসি, ভুট্টা, কলা, ভাত, খড়-ঘাস খাইয়েছি। শখ করে গরুটিকে পালন করেছি।

আমি নিজের চেয়েও বেশি গরুর যতœ নিয়েছি। গত বছর ভালো দাম না পাওয়ায় কালো মানিককে বিক্রি করতে পারিনি। এই ঈদেও কালোমানিক বিক্রি করতে না পেরে আমি অনেকটা হতাশ হয়েছি।

পশু চিকিৎসক কামাল উদ্দিন জানান, আমি কালো মানিককে গত পাঁচ বছর ধরে চিকিৎসা করে আসছি। প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে বড় করা হয়েছে ষাঁড়টিকে। ক্ষতিকর ও মোটাতাজাকরণের কোনো ওষুধ প্রয়োগ করা হয়নি। তাই ষাঁড়টির মাংসও সুস্বাদু হবে বলে তার দাবি।

উপজেলা পশু ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের কর্মকর্তা ডা. হারুন অর রশিদ জানান, আমার উপজেলায় এ কালো মানিক সবচেয়ে বড় ষাঁড়। এটি ফ্রিজিয়ান জাতের একটি ষাঁড়। গত পাঁচ বছর ধরে খামারি এটি প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে লালন-পালন করছেন।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By Theme Park BD