বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জামালপুর রেজাল্ট নিয়ে বাড়ি ফেরা হলোনা সমৃদ্ধির কিশোরগঞ্জে টুংটাং শব্দে সরগরম হয়ে উঠেছে কামারপল্লী ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর কন্যাকে কটুক্তি করা সেই যুবক রনি রিমাণ্ডে সুন্দরগঞ্জে মাদক দ্রব্য রোধকল্পে কর্মশালা পিরোজপুরে ৬ জন সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কারের চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসন মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফের চাল বিতরণ মতলব উত্তরে মহিলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা র‍্যালি ও আলোচনা সভা রেওলয়েতে আউটসোর্সিংয়ে জনবল নিয়োগের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন পাবনার ঈশ্বরদীতে ‘পাগলা রাজা’ বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রেজাউল

বন্যার্তদের পাশে জবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগ

মোঃ আবদুল্লাহ আলমামুন
  • প্রকাশ শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০২২
  • ১০৩ বার-পাঠিত

মানুষের জীবন খুবই বৈচিত্র্যময়। আর এই বৈচিত্র্য জীবনে আছে সুখ, দুঃখের সমাহার। বাংলাদেশে সাধারণত প্রচুর বৃষ্টি হয় আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে। এই সময়ের কদমফুল, রিমঝিম বৃষ্টি খুবই রোমাঞ্চকর।

এই বর্ষা কারো জীবনে বয়ে আনে সুখময় স্মৃতি। আবার কারো জীবনে বয়ে আনে সর্বনাশের কারণ। এমন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলের মানুষ। বন্যার পানিতে ডুবে গেছে ঘরবাড়ি। এমনকি তাদের আশ্রয় নেয়ার মতো জায়গা নেই।

দিনে দিনে তাদের কষ্ট বেড়েই চলেছে। এতে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ঔষধ, শুকনো খাবার, বাসস্থানের অভাবে পড়েছে তারা। এখন চর্তুদিকে শুধু পানি আর পানি। এতে রোগ জীবাণু সংক্রমিত হচ্ছে।

ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়ে তাদের জীবনে অশনিসংকেত নেমে এসেছে। মানুষের জীবনে শুধু কান্নার রোল। তাদের এই বিপদে এগিয়ে আসছে অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। কিন্তু বন্যার পানিতে তুলনামূলক অনেক মানুষ আটকা পড়েছে। তারা এখন অনাহারে দিন পাড় করছে।

কিন্তু অনেক মানুষ তাদের সামর্থ অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তাদেরকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে। শিশু, বৃদ্ধ, নারীরা না খাবার পেয়ে চরম পুষ্টিহীনতায় ভুগছে।

আর দুঃসময়ে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের  সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তারা স্বেচ্ছাসেবী হয়ে পুরান ঢাকার শপিংমল, মার্কেট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা যোগাড় করেছে। আর এই সাহায্যে পুরান ঢাকার মানুষ নিজ সাধ্যমতো আর্থিক সহায়তা করেছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে সসমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনেক সাড়া পেয়েছে।

২-৩ দিন টাকা তুলে ত্রাণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের কাছে এই ত্রাণ পৌঁছে দিতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শিক্ষার্থীরা বন্যার্তদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে। সিলেট ও সুনামগঞ্জের বানভাসির শতাধিক পরিবারের নিকটে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের জন্য খাদ্য প্যাকিং করেছে।

প্রতি প্যাকে রয়েছে অনেক শুকনা ও মুদি দ্রব্যাদি। বন্যার সময় শুকনো খাবার সবচেয়ে দরকারী। তাই তাদের জন্য চিড়া, লবণ, তেল, পেয়াজ, স্যাভলন, আলু, ডাল, বিস্কুট, স্যালাইন, ঔষধ দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য  এই ঔষধ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এমন উদ্যোগ সফল হয়েছে দশে মিলে অংশগ্রহণ করার জন্য। এছাড়া সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকদের থেকে আর্থিক ও অনুপ্রেরণামূলক সহায়তা পেয়েছে শিক্ষার্থীরা৷ ফলে নতুন উদ্যোমে মানবতার কল্যাণে অবদান রেখেছে।

এতে শতাধিক পরিবারের মুখে কিছুটা হলেও হাসি ফুটবে। সুতরাং প্রশংসার দাবিদার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের এমন ক্রান্তিলগ্নে উদ্যোগ নেয়ার জন্য এবং আশা করি ভবিষ্যতে এমন স্বেচ্ছাসেবী কাজে এগিয়ে আসবে।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By Theme Park BD