1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কায় বাংলাদেশ, প্রস্তুতি জোরদারের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের – দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জটিলতা কাটিয়ে সরকার গঠনের পথে থালাপতি বিজয় গুম-অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত রাষ্ট্র চায় জনগণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ মরদেহের পাশে ছিল চিরকুট, যা লিখা ছিল তাতে কোনো ধর্মকে টার্গেট করে ক্ষতি না করার আহ্বান জানানো হবে ভারত সরকারকে: জামায়াত আমির কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের পুকুরে ডুবে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু  কামিল (স্নাতকোত্তর) পরীক্ষা-২০২৪ এর ফল প্রকাশ আগামীকাল  হান্টা ভাইরাস কী, কতটা বিপজ্জনক এবং মহামারির ঝুঁকি কতটা নাজিরপুর সদর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি আল-আমিন খান, সম্পাদক নজির খান জুলাই আন্দোলন সংক্রান্ত থানায় দায়ের সব মামলা তদন্ত করবে ট্রাইব্যুনাল: চিফ প্রসিকিউটর বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল পুনরায় চালুতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: শিল্পমন্ত্রী

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কায় বাংলাদেশ, প্রস্তুতি জোরদারের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা নিয়ে নতুন করে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিহাস বলছে, এ অঞ্চলে সবশেষ বড় ভূমিকম্প হয়েছিল ১৯৩০ সালে, যার মাত্রা ছিল ৭। এর আগে ৬৫ বছরের ব্যবধানে ছয়বার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় শত বছর পার করা টেকটনিক প্লেটগুলোতে জমে থাকা শক্তি যেকোনো সময় তীব্র কম্পনের জন্ম দিতে পারে। তাই এখনই বাসাবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ভূমিকম্প সহনীয় করে তোলাই হবে সবচেয়ে কার্যকর প্রস্তুতি।

গত বছরের ২১ নভেম্বর নরসিংদীতে দেশের অভ্যন্তরে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ইন্দো-বার্মা টেকটনিক প্লেটের এ অংশে সৃষ্ট কম্পনে কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটে। এর তিন মাসের মাথায় শুক্রবার জুমার নামাজের পর ৫ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে সারাদেশ। চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই ১০ দফা ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে, অর্থাৎ গড়ে প্রায় দুই দিনে একটি করে কম্পন। এমন ঘনঘন কম্পন বড় বিপর্যয়ের পূর্বাভাস কিনা, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্লেট বাউন্ডারিতে শক্তি জমতে জমতে যখন বের হওয়ার পথ খুঁজে পায় না, তখন তা বড় বিস্ফোরণ বা শক্তিশালী ভূমিকম্পে রূপ নিতে পারে। বারবার ছোট ছোট কম্পন বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, জরুরি ভিত্তিতে ভবন মূল্যায়ন বা বিল্ডিং অ্যাসেসমেন্ট চালু করতে হবে, প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং বাড়ির মালিকদের সচেতন করে তুলতে হবে, না হলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে না।

বাংলাদেশের ভূমিকম্প ইতিহাসে অন্যতম বড় ঘটনা ছিল ১৮৯৭ সালের ১২ জুনের Great Indian Earthquake, যার মাত্রা ছিল ৮-এর বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের পাশ দিয়ে যাওয়া বড় প্লেট বাউন্ডারি এবং অভ্যন্তরীণ ও নিকটবর্তী ফল্ট লাইনে ১০০ থেকে ১৫০ বছর পরপর ৭-এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্প ঘটতে পারে। এমনকি ৮-এর অধিক মাত্রার ভূমিকম্পও ২৫০ থেকে হাজার বছর পরপর ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু রাজধানী ঢাকাতেই রয়েছে প্রায় ২১ লাখ বাসাবাড়ি, যার ৩০ শতাংশ ছয়তলার বেশি। এসব ভবনের প্রায় ৯০ শতাংশই ভূমিকম্প সহনীয় নয় বলে আশঙ্কা করা হয়। সারাদেশে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও অবকাঠামোর সংখ্যাও কম নয়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, সাম্প্রতিক ছোট ছোট ভূমিকম্প নিয়ে অতিরিক্ত আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে অতীতে সংঘটিত বড় ভূমিকম্পের ইতিহাস বিবেচনায় রেখে প্রস্তুতি জোরদার করাই হবে সবচেয়ে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park