শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

পাবনার ঈশ্বরদীতে ‘পাগলা রাজা’ বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রেজাউল

মোহাম্মদ আলী স্বপন
  • প্রকাশ বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২
  • ৪২ বার-পাঠিত

পাবনা প্রতিনিধ>পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মাড়মি গ্রামের বাসিন্দা রেজাউল ইসলাম। গত ৪ বছর ধরে একটি ষাঁড় পুষছেন। শখ করে গরুটির নাম রেখেছেন ‘পাগলা রাজা’।

দেশীয় পদ্ধতিতে ছোলা, গমের ছাল, খেসারি, ভুট্টার আটা, ধানের কুড়া, কাঁচা ঘাস ও খড় খাওয়ান। পাগলা রাজাকে সুস্থ্য রাখতে প্রতিদিন ২-৩ বার গোসল করানো, নিজ হাতে খাওয়ানোর কাজটা রেজাউল ও তার স্ত্রী আসমা খাতুন নিজেই করেন।

পাগলা রাজা যেন গরমে কষ্ট না পায় সেজন্য তার মাথার উপরে ঘরের চালায় লাগানো আছে ফ্যান।বিদ্যুৎ চলে গেলে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করা হয় তাকে। প্রতিদিন এই পাগলা রাজার  পেছনে খরচ হচ্ছে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

২০১৮ সালে ঈশ্বরদীর অরণকোলা হাট থেকে আড়াই মন ওজনে কেনা এই ষাঁড়টির ওজন এখন প্রায় ৩৫ মন। গত ৪ বছর ধরে তিলে তিলে কষ্ট করে এবারের ঈদ-উল আযহার আগে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করা হলেও ভাল দাম পাওয়ার আশা ক্রমেই ফিকে হয়ে আসছে রেজাউলের।

প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ তার বাড়িতে ভিড় করছেন এক নজর ‘পাগলা রাজা’কে দেখতে। এই গরুর পেছনে গত ৪ বছরে যে খরচ হয়েছে সেসব হিসেব করে গরুটির দাম হাঁকা হয়েছে ১১ লাখ টাকা কিন্তু কাঙ্খিত দাম এখনো বলেনি কোন ক্রেতা কিংবা বেপারী।

রেজাউল ইসলাম বলেন, এ গরুটি ক্রয় থেকে শুরু করে তার পেছনে যে শ্রম ও খরচ হয়েছে তাতে ১০ থেকে ১১ লাখ টাকায় বিক্রি হলে খরচের টাকাটা ঘরে আসবে।

আমিরুল ইসলাম নামে এক গরুর বেপারী বলেন পাবনা জেলায় এর চেয়ে বড় গরু আমি এবার এখনো দেখিনি। আরেক গরুর বেপারী মান্নান হোসেন বলেন এই গরুর ওজন প্রায় ৩৫ মন হবে এমনটাই ধারণা করছি।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By Theme Park BD