বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আত্রাইয়ে দর্শনীয় ষাঁড় সম্রাটের দাম হাঁকা হয়েছে ১২ লাখ টাকা রাণীশংকৈলে পুকুড়ের পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু জামালপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগ,থানায় মামলা মতলব উত্তরে ডাক্তারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পাল্টাচ্ছে হাসপাতালের পরিবেশ, বাড়ছে সেবার মান কাল থেকে গবিতে ঈদুল আযহার ছুটি  শুরু দম ফেলার ফুরসত নেই ত্রিশালের কামারদের! ছেলের সামনে বাবাকে  কুপিয়ে হত্যা, পিতা-পুত্র গ্রেফতার… রাণীশংকৈলে বিপুল উপস্থিতিতে শিক্ষক আইরিনের জানাযা ও দাফন সম্পন্ন চলনবিলে কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন পাট, কৃষকের ফুটে উঠেছে রঙিন হাঁসি পাবনায় তীব্র লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ, ঈদ বাজারে লোকসানের আশঙ্কা

পরকিয়ার জেরে শিশু খুনের মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

মো: তামিম সরদার
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২
  • ২২ বার-পাঠিত

পিরোজপুর প্রতিনিধি>পিরোজপুরের সদর উপজেলায় মো. মইনুল (১১) নামের এক শিশুকে খুনের দায়ে শওকত আলী খান (৫২) নামের একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (২১ জুন) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম নুরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত শওকত আলী খান পিরোজপুর সদর উপজেলার ডোরা গ্রামের মৃত আশ্রাব আলী খানের ছেলে।

আদালত ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর সদর উপজেলার পোরগোলা গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী রফিকুল ইসলাম এর প্রথম স্ত্রী মমতাজ বেগম এর সাথে পিরোজপুর সদর উপজেলার ডোরা গ্রামের আসামী শওকত আলী খান এর দেড় থেকে দুই বছর ধরে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল।

তাদের এই পরকীয়া সম্পর্কের কথা মমতাজ বেগমের ছেলে মো. মইনুল জানতে পেরে শওকত আলী খানকে প্রকাশ্যে ও গোপনে তার মায়ের সাথে মেলামেশা করতে নিষেধ করে। এবং মইনুল তার মাকে নিয়ে পিরোজপুরের পালপাড়া এলাকার বাসায় থাকা শুরু করে।

মইনুল বাগেরহাট মাদরাসায় আবাসিকে থেকে পড়াশোনা কর। ২০০৩ সালের ২৩ মার্চ মইনুল তার মাকে জানায় সে তার নানা বাড়ি ভৈরমপুর যাবে কিন্তু মইনুল তা না করে তার নিজ বাড়ি পিরোজপুর সদর উপজেলার পোরগোলা গ্রামে যায়।

ওই দিন রাতে কোন এক সময় শওকত আলী খান মইনুল কে শ্বাসরোধ করে খুন করে পোরগোলা গ্রামের বাধ মারার চরে ফেলে রাখে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করলে মইনুল এর দাদী রোকেয়া খাতুন বাদী হয়ে ২০০৩ সালের ২৭ মার্চ পিরোজপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় পিরোজপুর সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো হাবিবুর রহমান মামলার তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ২৮ মে আসামি শওকত আলী খানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।
সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সহকারী সরকারি আইনজীবী (এপিপি) জহিরুল ইসলাম। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এ্যাড. দেলওয়ার হোসেন।

সরকার পক্ষের সহকারী সরকারি আইনজীবী (এপিপি) জহিরুল ইসলাম বলেন, ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ প্রমাণের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আদালত ১ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছে। আমরা এ রায়ে সন্তোষ্ট।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By Theme Park BD