1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
নবীনগরে মেঘনা নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে গ্রাম, জনপ্রতিনিধি ও ইউএনও'র পরিদর্শন - দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাদুরতলা স্পোর্টিং ক্লাবের শুভ উদ্বোধন ঝালকাঠির বাসন্ডা ব্রীজটি বার্ধক্যের ভারে যেন মরন ফাঁদ সদরপুরে মৎস্য আইনে মোবাইল কোর্ট,বাধ সহ ২৭ টি চায়না দোয়ারি ধ্বংস  রায়পুরে ডাকাতিয়া নদী পরিস্কার কর্মসূচীর উদ্বোধন সদরপুরে ৪ কেজি গাঁজা সহ ব্যবসায়ী কে আটক করেছে ডি বি পুলিশ  চীনের সাথে ৭টি প্রকল্প ও ২১ একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী ঝালকাঠিতে মাছ ধরার ফাঁদ তৈরীতে ব্যস্ত কারিগররা। চীন সফর শেষে বুধবার দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্নফাঁস:পিএসসির ৩ কর্মকর্তাসহ ১০ জন কারাগারে কোটা নিয়ে সব পক্ষের বক্তব্য শুনে ন্যায়বিচার করবে আদালত: আইনমন্ত্রী

নবীনগরে মেঘনা নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে গ্রাম, জনপ্রতিনিধি ও ইউএনও’র পরিদর্শন

সঞ্জয় শীল
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪

 31 বার পঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের নবীনগর পশ্চিম ইউপির মেঘনা নদীর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত চর লাপাং, দড়ি লাপাং ও চিত্রী গ্রামে সরে জমিনে গিয়ে পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর ফরহাদ শামীম, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মো. মেহেদী হাসান, স্থানিয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুর আজ্জমসহ অন্যান্যরা। 

এ সময় নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ত্রাণ ও অস্থায়ী বাসস্থানের পাশাপাশি স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন তারা। 

মেঘনা নদীর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত রফিয়া বেগম (৬০) জানান, ঘুমের মইধ্যা ঘর ভাইঙ্গা গেছে গা পানিত! অহন আমরা কই গিয়া থাহুম!

কমলা বেগম বলেন, রাইতে ঘুমাইলে ডর লাগে। কুন সম জানি ভাইঙ্গা লইয়া ফরে।

ইদ্রিস মিয়া বলেন, প্রত্যেক বছর ভাঙ্গে, এই পর্যন্ত ৬ বার জাগা পালডাইছি। 

উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহমেদ বলেন, জনাব ফয়জুর রহমান বাদল এমপি সাহেবের নির্দেশনায় আমরা দ্রুততার সাথে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। তাদের জন্য ত্রাণসহ বাস স্থানের ব্যবস্থার জন্য আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, স্থায়ীভাবে ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি। বর্তমানে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন উনাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি। 

উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মো. মেহেদী হাসান বলেন, সরে জমিনে এসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর খুঁজ-খবর নিয়েছি, ভাঙ্গন রোধে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুটি মসজিদসহ মেঘনা নদীতে বিলিন হয়ে গেছে শতাধিক ঘর-বাড়ী, খামার ও ফসলি জমি। অসহায় ভুক্তভোগীদের নিদারুণ কষ্টের চাহনি যেনো নদীর দিকে। দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ না হলে মেঘনা নদীতে বিলিন হয়ে যাবে এ গ্রামগুলো।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২২-২০২৩ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park