1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
ঝালকাঠিতে মাছ ধরার ফাঁদ তৈরীতে ব্যস্ত কারিগররা। - দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাদুরতলা স্পোর্টিং ক্লাবের শুভ উদ্বোধন ঝালকাঠির বাসন্ডা ব্রীজটি বার্ধক্যের ভারে যেন মরন ফাঁদ সদরপুরে মৎস্য আইনে মোবাইল কোর্ট,বাধ সহ ২৭ টি চায়না দোয়ারি ধ্বংস  রায়পুরে ডাকাতিয়া নদী পরিস্কার কর্মসূচীর উদ্বোধন সদরপুরে ৪ কেজি গাঁজা সহ ব্যবসায়ী কে আটক করেছে ডি বি পুলিশ  চীনের সাথে ৭টি প্রকল্প ও ২১ একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী ঝালকাঠিতে মাছ ধরার ফাঁদ তৈরীতে ব্যস্ত কারিগররা। চীন সফর শেষে বুধবার দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্নফাঁস:পিএসসির ৩ কর্মকর্তাসহ ১০ জন কারাগারে কোটা নিয়ে সব পক্ষের বক্তব্য শুনে ন্যায়বিচার করবে আদালত: আইনমন্ত্রী

ঝালকাঠিতে মাছ ধরার ফাঁদ তৈরীতে ব্যস্ত কারিগররা।

মোঃ খলিলুর রহমান মনির
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪

 49 বার পঠিত

ঝালকাঠি প্রতিনিধি> আষাঢ়ের শেষের দিকে খাল-বিল, নদী-নালাসহ চারদিকে পানিতে টইটুম্বুর থাকে। এ সময় দেশীয় মাছের অবাধ বিচরণ দেখা যায়। বৈশাখ মাসের নতুন পানিতে সাধারণত মাছের বংশ বৃদ্ধি হয়। দেশীয় মাছের স্বাদ নিতে গ্রামের খালে এবং উন্মুক্ত জলাশয়ে চাই-বুছনা (এক ধরনের মাছ ধরার ফাঁদ) পেতে মাছ ধরেন গ্রামের সকল শ্রেণিপেশার মানুষ। তাই চাহিদার জোগান দিতে এবং মৌসুমি আয়ে চাই-বুছনা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা।

সরই গ্রামের কারিগর দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘মাঘ মাসে চোখের দৃষ্টিতে অনুমান করে ১২০ থেকে দেড়শ টাকায় প্রতিটি বাঁশ কিনতে হয়। এরপর বাঁশ আকারমতো কেঁটে পানিতে ভিজিয়ে রেখে শলা তৈরি করা হয়। প্রতি সপ্তাহের ৩ দিন বাঁশ থেকে শলা তৈরি করি। বাকি ৪ দিন রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। প্রতিটি বুছনা তৈরিতে ২২০ থেকে ২৫০টি শলা লাগে। একটি ভালো বাঁশ থেকে ৩টি বুছনা তৈরি করা যায়। মাঘ মাস থেকে এ কাজ শুরু করেছি। আশ্বিন মাস পর্যন্ত চলবে। আমাকে সহযোগিতা করছে ভাই জালাল, স্ত্রী নাজমা, ছেলে নাজমুল, মেয়ে মীম, মা নুরবানু ও বাবা সুলতান শেখ। মূলধনের অভাবে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে প্রতি বছরই কাজ করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘একেকটি বুছনা বিক্রি করি ৩৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। ঝালকাঠি পুরাতন স্টেডিয়াম মোড়ে প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবারে ৬০টি বুছনা নিয়ে বিক্রি করি। আমার কাছ থেকে অন্যরা পাইকারি কিনে নেন। সংসারের খরচ, বাবা-মায়ের চিকিৎসা খরচ, ছেলে-মেয়ের পড়াশোনার খরচ এবং ঋণ শোধ করে সব মিলিয়ে বছরের আয়-ব্যয় সমান সমান থাকে। সরকারি সহায়তায় সহজ শর্তে এবং বিনা সুদে ঋণ পেলে একটু ভালোভাবে জীবন কাটানোর আশা করছি।’

ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়নের বারইকরণ ও সরই গ্রাম পানের জন্য বিখ্যাত। এলাকার পান চাষিদের পাশাপাশি অন্য পেশার এবং শ্রমজীবী লোকজনও পিছিয়ে নেই কোনো ক্ষেত্রে। তাদের প্রচেষ্টা চলছে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে। মৌসুমি কাজ হিসেবে চাই-বুছনা ও জাল বুনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। কেবল ঘরের কর্তা নন, বুনন কাজে সহযোগিতা করছেন স্ত্রী, সন্তান, ভাই, মা ও বাবা। তাদের সহযোগিতায় অনেকটাই এগিয়ে যায় বুনন কাজ।

চাই-বুছনা জেলার এক হাট থেকে অন্য হাটে নৌ ও সড়ক পথে সরবরাহ করেন কারিগররা। চলতি মৌসুমে বুনন ও বিক্রয় কাজেই ব্যস্ত থাকেন তারা। নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, ‘দেলোয়ারের কার্যক্রম কুটির শিল্পের আওতায় পড়ে। আর্থিক সমস্যার কারণে জেগে উঠতে পারছে না। সহায়তা পেলে স্বচ্ছল হতে পারতো।’

ঝালকাঠি বিসিকের সহকারী মনিটরিং এবং মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. আল আমিন বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে এলে নিয়মানুযায়ী প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা যাবে।’

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২২-২০২৩ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park