1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
"চিঠির পাতায় লেখা প্রেম - ফিরে দেখা এক নিঃশব্দ ভালোবাসা" – দৈনিক দেশেরকথা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পেতে ২৩ মে ছুটি চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আবেদন চকরিয়ায় বরইতলীতে জমি দখলের চেষ্টা, দখলদারদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যেই বিএসইসি ও আইডিআরএ সংশোধনী বিল পাস গণভোটের দাবি বাস্তবায়নে বিভাগীয় সমাবেশ, অক্টোবরে ঢাকায় মহাসমাবেশ ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের জামায়াত অপরাধ স্বীকার না করা পর্যন্ত ‘মুক্তিযুদ্ধ কার্ড’ থাকবে: ডা. জাহেদ ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই হত্যা মামলায় সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলায় সাবেক গৃহশিক্ষকের ফাঁসির রায় ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ ‘কুইচি’ নোয়াখালীর প্রাইম হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে ঘিরে বিক্ষোভ

“চিঠির পাতায় লেখা প্রেম – ফিরে দেখা এক নিঃশব্দ ভালোবাসা”

বিনদন ডেস্ক
  • প্রকাশ রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

১৯৮৭ সাল।একটি ছোট মফস্বল শহরের একচালা টিনের ঘরে, বইয়ের ভেতর লুকিয়ে রাখা একটি চিঠি আজও হলুদ হয়ে ঝরছে। এই চিঠিই ছিল রুহুল আর শারমিনের প্রেমের শেষ প্রমাণ।

তখন মোবাইল তো দূরের কথা, বাড়িতে টেলিফোন ছিল না কারো। প্রেম হতো চিঠির পাতায় পাতায়। রুহুল তখন ইন্টারমিডিয়েটে পড়ে, প্রতিদিন স্কুল থেকে ফেরার পর ভাঙা হারমোনিয়ামে “চোখ যে মনের কথা বলে” গাইতো। শারমিন ছিল পাশের গ্রামের মেয়ে, লাজুক, শান্ত আর চোখে ছিল চিরন্তন বিষণ্ণতা।

তাদের দেখা হতো কখনো গ্রাম্য মেলায়, কখনো খালের পাশে তালগাছের ছায়ায়। কিন্তু কথা হতো কেবল চিঠির মাধ্যমে। রুহুল রোজ রাতে চিঠি লিখত — সাদা কাগজে, নীল কালি দিয়ে। সেই চিঠিতে থাকত কবিতা, শেকসপিয়ারের কিছু লাইন, আর একটা প্রশ্ন:

“তুমি কি আমায় বিশ্বাস করো?”

শারমিনের চিঠি আসত দু’দিন পর পর। প্রতিটি চিঠিতে সে লিখত —

“তোমার লেখা গানের কলিগুলো পড়ে আমি কেঁদে ফেলি রুহুল।”

তাদের প্রেম ছিল মাটির মত নিঃশব্দ, আকাশের মত গভীর। কিন্তু একদিন, হঠাৎ করেই সব থেমে গেল। শারমিনের বিয়ে ঠিক হয়ে গেল এক প্রবাসীর সঙ্গে। চিঠি এল আর একটাও না। রুহুল কেবল শেষবার একটি চিঠি পাঠাল, অনেকগুলো গানের লাইন লিখে, নিচে ছোট করে লিখেছিল —

“তুমি যদি কখনও ফিরে তাকাও, আমি এখানেই আছি — পুরনো বইয়ের ভাঁজে, সেই চিঠির পাতায়।”

তারপর কেটে গেছে চল্লিশ বছর।

আজ, রুহুল সেই পুরোনো চিঠিগুলো নিয়ে বসে থাকে, ছেলেমেয়েরা বাইরে দেশ-বিদেশে ব্যস্ত, সে কেবল একটাই কাজ করে — চিঠির গন্ধ শুকে আর ভাবে,

“চিঠির মধ্যে যে ভালোবাসা ছিল, আজকের ইমোজি আর কল-টোনে তা কই?”

ভালোবাসা হয়তো সময়ের সাথে রূপ বদলায়, কিন্তু কিছু চিঠি চিরকালই কাগজে লেখা থাকে, হৃদয়ে গেঁথে যায়।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park