1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
গলাচিপায় কবর ঘিরে মাজার বাণিজ্য,করা হচ্ছে জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা - দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাদুরতলা স্পোর্টিং ক্লাবের শুভ উদ্বোধন ঝালকাঠির বাসন্ডা ব্রীজটি বার্ধক্যের ভারে যেন মরন ফাঁদ সদরপুরে মৎস্য আইনে মোবাইল কোর্ট,বাধ সহ ২৭ টি চায়না দোয়ারি ধ্বংস  রায়পুরে ডাকাতিয়া নদী পরিস্কার কর্মসূচীর উদ্বোধন সদরপুরে ৪ কেজি গাঁজা সহ ব্যবসায়ী কে আটক করেছে ডি বি পুলিশ  চীনের সাথে ৭টি প্রকল্প ও ২১ একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী ঝালকাঠিতে মাছ ধরার ফাঁদ তৈরীতে ব্যস্ত কারিগররা। চীন সফর শেষে বুধবার দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্নফাঁস:পিএসসির ৩ কর্মকর্তাসহ ১০ জন কারাগারে কোটা নিয়ে সব পক্ষের বক্তব্য শুনে ন্যায়বিচার করবে আদালত: আইনমন্ত্রী

গলাচিপায় কবর ঘিরে মাজার বাণিজ্য,করা হচ্ছে জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা

মোঃ জহিরুল ইসলাম চয়ন
  • প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪

 62 বার পঠিত

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

স্বপ্নে আদৃষ্ট হয়ে কবর বানিয়ে মাজার বানিয়ে জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা করছেন স্কুল পড়–য়া ছাত্র। কথিত এ হুজুরের কাছে কঠিন রোগ নিয়ে হাজির হচ্ছেন গ্রামের মানুষেরা। ২২ দিন আগে গভীর রাতে বাড়ি ঘর কেঁপে উঠে। মাঝ রাতে ঘরের বারান্দায় জেগে উঠে কবর। আর এ কবরকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ‘মাজার’ বাণিজ্য। গলাচিপা সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে চিকনিকান্দি ইউনিয়নের উত্তর সুতাবাড়িয়া গ্রামে। বুড়াগৌড়াঙ্গ নদীর (চিকনিকান্দির সুতাবাড়িয়া অংশ) দক্ষিণে এবং কমলাকান্ত নদীর উত্তর পাশে উত্তর সুতাবাড়িয়া গ্রামে অষ্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্র সাব্বির হোসেন বাবার বাড়ি মো. জাফর গাজীর ঘরের বারান্দায় কবর বানিয়ে এ মাজার গড়ে ওঠে। ঘরের বারান্দার মধ্যে কবরের এক পাশে কিছু টাকা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। অপর পাশে দুটি জায়নামাজ রাখা আছে। মূলত এখানেই বসে তদবির দেন কথিত হুজুর সাব্বির। 

সরেজমিনে বুধবার দুপুরে সাব্বিরের বাড়িতে ঢুকতেই কয়েকজন নারী পুরুষ এগিয়ে আসে। জানতে চায় কেন এসেছি? হুজুরের সাথে কথা বলব বলতেই বাড়ির পাশে বেড়িবঁাধে দাড়িয়ে থাকা ১৪ বছরের কিশোর সাব্বির হোসেন এগিয়ে এসে মাজারের কাছে যেতে আহ্বান জানান। যেতে যেতে সাব্বির মাজার গড়ার কাহিনী শোনান। 

সাব্বির বলেন, কবর জেগে ওঠার আগে আমার অনেক কষ্ট হয়েছে। কবর জেগে উঠলে আমি আমার বাবা মা’কে কবরে মোমবাতি, আগরবাতি ও মালা দিতে বলি। আমাদের সাড়ে চার হাত বারান্দায় তিন হাত কবর। পরে আমি বঁাশ কেটে কবরকে কাপড় দিয়ে ঢেকে দিয়েছি। এ কবর কাউকে দেখানো যাবে না। আমার এখানে বিভিন্ন এলাকার মানুষ আসে। অনেককেই বিভিন্ন কঠিন রোগ নিয়া আসে। তাদেরকে আমি ঝাড় ফু তদবির দেই। কারো কাছ থেকে কোন টাকা রাখি না। কিন্তু কেউ কিছু মাজারে খুশি হয়ে দিয়ে গেলে তা ওখানেই (কবরের পাশে চাদর রাখা আছে) থেকে যায়। আর কেউ যদি স্পেশাল চিকিৎসা করাতে চায় তো তার কাছ থেকে ৫১ টাকা হাদিয়া রাখি। 

সাব্বিরের খাদেম দাদি জায়েদা বেগম বলেন, সাব্বির আমার আমার নাতি সম্পর্কের। আমি খাদেমের কাজ করি। রোগী আইলে হেগো নাম, ঠিকানা ও সমস্যা লিখে রাখি। একই সাথে তাদের কাছ থেকে হাদিয়া রাখি। মাজারের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করি।

এ ব্যাপারে গলাচিপা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাসিম রেজা বলেন, আমরা লোক পাঠিয়ে খেঁাজ খবর নিয়েছি। তারা যে মাজার বানিয়েছে তাও জানতে পেরেছি। কোন গোলযোগ দেখা দিলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২২-২০২৩ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park