বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আত্রাইয়ে দর্শনীয় ষাঁড় সম্রাটের দাম হাঁকা হয়েছে ১২ লাখ টাকা রাণীশংকৈলে পুকুড়ের পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু জামালপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগ,থানায় মামলা মতলব উত্তরে ডাক্তারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পাল্টাচ্ছে হাসপাতালের পরিবেশ, বাড়ছে সেবার মান কাল থেকে গবিতে ঈদুল আযহার ছুটি  শুরু দম ফেলার ফুরসত নেই ত্রিশালের কামারদের! ছেলের সামনে বাবাকে  কুপিয়ে হত্যা, পিতা-পুত্র গ্রেফতার… রাণীশংকৈলে বিপুল উপস্থিতিতে শিক্ষক আইরিনের জানাযা ও দাফন সম্পন্ন চলনবিলে কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন পাট, কৃষকের ফুটে উঠেছে রঙিন হাঁসি পাবনায় তীব্র লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ, ঈদ বাজারে লোকসানের আশঙ্কা

কৃষ্ণপুরে গনহত্যা দিবস পালিত

শিমুল তালুকদার
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২
  • ৬৬ বার-পাঠিত

সদরপুর প্রতিনিধি>মহান মুক্তিযুদ্ধে সদরপুর উপজেলার হাট কৃষ্ণপুরে গনহত্যার শিকার আটজন শহিদ মুক্তিযোদ্ধার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন  সদরপুর উপজেলার হাট কৃষ্ণপুরের ১৯৭১ আমরা শহিদ পরিবার শহিদ স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটি। 

১৭ ই মে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার হাট কৃষ্ণপুর শ্বশান খোলার শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি সৌধ প্রাঙনে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে লক্ষণ চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে ও প্রান চৌধুরী পিরুর সঞ্চালনায়  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৯৭১ আমরা শহিদ পরিবার শহিদ স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির প্রতিষ্টাতা ও সভাপতি মোঃ সাজ্জাদুল হক সাজ্জাদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক আব্দুল মজিদ মিয়া,  অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল তদন্ত সংস্থার সদস্য  ও ১৯৭১ আমরা শহিদ পরিবার শহিদ স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির উপদেষ্টা  বীর মুক্তিযোদ্ধা পি, কে সরকার। শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে গনহত্যায় নিহত সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারে সদস্যগন উপস্থিত থেকে শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান। নিহত শহিদদের পরিবারের সদস্য অশ্রুসজল কন্ঠে দীর্ঘ ৫১ বছর পুর্বের সেই ১৭ মের সকালের সেই গনহত্যার নির্মম বর্ননা করার সময়ে উপস্থিত সকলের চোঁখ অশ্রুতে ভরে যায়। শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে   শহিদ পরিবারের সদস্যরা  ৭১ এর স্মৃতি চারন করে বক্তব্য রাখেন , বীর মুক্তিযোদ্ধা সত্য রঞ্জন কর্মকার,  শহিদ মিহির মিত্রের বোন নিলিমা রাহুত, পুত্র প্রদিপ কুমার মিত্র, নিহত শহীদ পরিবারের জন্য বিভিন্ন দাবী নিয়ে বক্তব্য রাখেন সুবর্ণ মিত্রের পুত্র অসোক কুমার মিত্র। তিঁনি নিহত শহীদদের সরকারী ভাবে গেজেট ভুক্ত করার জন্য সরকারে প্রতি জোর দাবি জানান, প্রধান বক্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা পি,কে সরকার  তাঁর বক্তব্যে বলেন, হানাদার বাহীনির হত্যাকান্ডের পর নিহত শহীদদের সৎকার করার কেউ সাহশ পায়নি, পরে স্থানীয় মুসলমানদের সার্বিক সহযোগীতায় তাঁদের সৎকার করা হয়। তিনি আরো বলেন, এই যায়গাটি পরবর্তি প্রজন্মের কাছে একদিন পবিত্র ভূমিতে  পরিনত হবে। সভাপতির বক্তব্যে সাজ্জাদুল হক সাজ্জাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিহত শহিদদের প্রতি সম্মান দিয়ে কৃষ্ণপুরের বদ্য ভূমিতে নির্মান করেছেন শহীদ স্মৃতি সৌধ। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও নিহত শহীদদের পরিবারের সদস্যদের খবর কেউ নেয়নি। তিনি নিহত সকল শহীদদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহ উদাত্ত আহবান জানান। এবং আগামীতে এই অনুষ্ঠান সরকারি ভাবে পরিচালনা করার জন্য সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সবশেষে মোমবাতি প্রজ্জলন করে নিহত সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। উল্লেক্ষ্য ১৯৭১ সালের ১৭ মে সোমবার সকালে হানাদার বাহিনির দোসররা শ্বশাণ খোলার চালতা তলায় গনহত্যা চালিয়ে আটজনকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। পরবর্তিতে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দোগে ২০২০ সালে  ৭১ এর শহীদদের স্মরণে  কৃষ্ণপুরের বধ্যভূমিতে নির্মিত হয় শহীদ স্মৃতি সৌধ।   ১৯৭১ সালের ১৭ মে সোমবার সকালে চালতা তলায় গনহত্যায় নির্মমভাবে যাদের হত্যা করা হয় তাঁরা হলেন,সুবর্ণ মিত্র, মিহির মিত্র, কৃষ্ণা দাসী সাহা,  ভুপতি সাহা, ননী সাহা, হরিপদ সাহা, মলিন শীল,  ও অলোক সাহা।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By Theme Park BD