সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জের জনপ্রিয় দৈনিক ‘যুগের কথা’ পত্রিকার ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গোপালপুর ও মৈনট ঘাটে দ্রুত ফেরি   চালুর  দাবি এলাকাবাসীর  পাবনার ঈশ্বরদী পদ্মার চরে কলা চাষে সাফল্য: হাসি ফুটিয়েছে চাষীদের মুখে   রাজাপুরে গাঁজা সহ দুই মাদক কারবারি আটক টুং টাং শব্দে মুখরিত কামার পল্লী  গোয়াইনঘাটে বন্যা দূর্গত এলাকায় বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ লক্ষ্মীপুরে নতুন কমিটি পেয়ে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল শিক্ষক নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদে জামালপুর উদীচীর প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষক নিহত  পাবনায় ‘পুলিশের বন্ধু বঙ্গবন্ধু’ নামে ঐতিহাসিক স্থিরচিত্রে সৌন্দর্য বর্ধন উদ্বোধন

কিশোরগঞ্জে বিলুপ্তির পথে গ্রীষ্মকালীন ফল বাঙ্গি

আনোয়ার হোসেন
  • প্রকাশ রবিবার, ১২ জুন, ২০২২
  • ৬৬ বার-পাঠিত

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি>গ্রাম বাংলার গ্রীষ্মকালীন অতি পরিচিত ফল বাঙ্গি।দেশীয় ফলের জগতে অন্যতম।এটি তরমুজের বংশভিত্তিক একটি ফল।গরমে আরামদায়ক ফল হিসেবে বাঙ্গি তুলনা হয় না।

পুষ্টিতে ভরপুর সব বয়সের মানবদেহের জন্যই উপকারী।বড়দের চেয়ে ছোটদের কাছে খুবেই পছন্দের।বর্তমানে এ ফলটি বিলুপ্তির পথে। একসময় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নদীর চরাঞ্চল,ফসলি জমিতে বাঙ্গি’র ব্যাপক চাষাবাদ হতো।

বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মাসে শহর-গ্রামের হাট-বাজারে এর সরবরাহও ছিলো প্রচুর।কিন্তু কালের প্রবাহে কৃষিতে উচ্চমূল্যের বিদেশী ফলের দাপটে চিরায়িত বাংলার  অতি সু-পরিচিত ফলটির চাষে ভাটা পড়েছে।এতে দিনে দিনে বিলুপ্ত হতে চলছে।

ফলে বিভিন্ন বাজারের ফলের দোকানে পসরা সাজানো দেখা যায় না। সম্প্রতি দেখা যায়, উপজেলার বাসস্ট্যান্ডের পথের ধারে কাছিমউদ্দিন নামের এক বিক্রেতা বাঙ্গির পসরা সাজিয়ে বিক্রি করছেন।তিনি সদর ইউনিয়নের কামার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি জানান,উৎপাদন খরচ কম,লাভ বেশি হওয়ায় কয়েক বছর ধরে ১৪শতংশ  জমিতে বাঙ্গি চাষ করে ভাল আয়ের মুখ দেখছেন।আগে একটি বাঙ্গি ২-৩ টাকায় বিক্রি হত।এখন ক্রেতার চাহিদা থেকে আকার ভেদে প্রতি পিস বাঙ্গি ২০থেকে২৫ টাকা দরে দৈনন্দিন বিক্রি করে  ৪শ থেকে ৫শ টাকা আয় করে সংসার চালান।তিনি ছাড়া হাতে গোনা দু-একজন এ ফলের চাষ করেননা বলেও জানান।

আনোরমারী ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক দেশের কথাকে জানান,আমাদের নতুন প্রজন্মের  বেশি ভাগই দেশীয় এ ফলের সাথে মোটেই পরিচিত নয়।অনেকে আজ এ ফলটির নাম জানেনা।আগে বাঙ্গি’র যে স্বাদ ও আকার-প্রকার ছিলো,হাল আমলে সেটিও আর নেই।

বাঙ্গি’র চাষাবাদ ও সরবরাহ নেই বললে চলে।চিরায়িত গ্রাম বাংলার দেশীয় ফলের ঐতিহ্য হিসেবে কম হলেও বাঙ্গি’র চাষাবাদে সবাইকে এগিয়ে আসা দরকার।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By Theme Park BD