শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পিপিএল- ২০২২ এর চ্যাম্পিয়ন ৪১ তম ব্যাচ সুন্দরগঞ্জে দৈনিক করতোয়ার ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত   রাজাপুরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ হবিগঞ্জে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চা-শ্রমিকরা থেকে অনির্দিষ্ট কালের কর্মবিরতি। কটিয়াদীতে নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ঝালকাঠিতে বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে মাধবপুরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা কুয়াকাটায় বাস ড্রাইভারকে ১০ হাজার টাকা জরিমান। নিপা অপহরণ ও হত্যার চেষ্টা মামলার আসামিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সুন্দরগঞ্জে ছাদ বাগান  উদ্বোধনে জেলা প্রশাসক..

কিশোরগঞ্জে টুংটাং শব্দে সরগরম হয়ে উঠেছে কামারপল্লী

আনোয়ার হোসেন
  • প্রকাশ বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২
  • ৭৩ বার-পাঠিত

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি>মুসলিম উম্মার দ্বারে উঁকি দিচ্ছে ঈদুল আযহা। আর এ ঈদুল আযহার  কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ভাঁতির ফাঁসফুস আর হাতুড়ি পেটার  টুংটাং শব্দে সরগরম হয়ে উঠেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের কামারপল্লীগুলো।

চলছে ভাঁতি টানা,পুড়ছে কয়লা,জ্বলছে লোহা। ঘামছে কামার,তৈরি হচ্ছে চাকু, ছুরি-বঁটি-দা চাপাতিসহ মাংস কাটার ধারালো হরেক অস্ত্র।

বুধবার সরেজমিনে কামারপল্লী গুলো ঘুরে দেখা যায়,কোরবানির পশু জবাই ও মাংস সাইজ করতে কাটারি,ছুরি,চাপাতি,দা,বটির মত অত্যাবশ্যকীয় অস্ত্র তৈরিতে মহা কর্মযজ্ঞ চলছে।

এতে জ্বলন্ত আগুনের তাপে শরীর থেকে অঝরে ঝরছে ঘাম। চোখে মুখে প্রচন্ড ক্লান্তির ছাপ। তবু থেমে নেই তারা। দিন-রাত সমান তালে ভাঁতি উঠানামা করছেন কর্মকাররা।

ভাঁতি  থেকে বেরিয়ে আসা বাতাস আর লোহা পেটানোর শব্দ জানান দিচ্ছে কোরবানির ঈদ গোড়ায়।বিশেষ করে বছরের অন্য সময় গুলোতে তাদের ব্যবসায় চলে টানা পোড়ন।

তাই আসন্ন কোরবানি ঈদকে ঘিরে নতুন আশায় বুক বেঁধে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা।দক্ষ কারিগরদের নিপুন হাতের সান দেয়া কাটারি,দা,বটি,চাকু,চাপাতি সাজিয়ে রেখেছেন থরে থরে।

বিভিন্ন সাইজের কাটারি ৩০-৫০ টাকা,চাকু ৫০-১০০ টাকা,বটি ৩০০ -৪০০টাকা,চাপাতি ৪০০ থেকে৬০০ টাকা,বড় সাইজের ছুরি ৮০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে।আবার অনেকে পুরনো দা,বটি, চাকু সান দিয়ে নিচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জ বাজারের কামার শিল্পী ইউনুছ, আরিফ বলেন,সারা বছর যত লোহা সামগ্রী বিক্রি হয় এই ঈদে বিক্রি হয় তার চেয়ে অনেক বেশি।কারণ পশু জবাই করার জন্য ধাঁড়ালো অস্ত্রের প্রয়োজন।আর পুরনো সব অস্ত্র অনেকের রাখেনা।

তাই প্রতি বছর নতুন নতুন অস্ত্রের প্রয়োজন হয়।তাই বছরের কোরবানির ঈদে আমাদের মূল টার্গেট থাকে কয়েকদিন ভালো টাকা,ভালো উপার্জন করার।তারা আরো বলেন,একদিকে চায়না থেকে আমদানিকৃত চাকু,ছুরি বর্তমান বাজার দখল করে নিয়েছে।

অপরদিকে জ্বালানি কয়লার দাম বেড়ে  প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বেড়েছে লোহার দামও।লোহা ও কয়লার দাম বাড়লেও সে তুলনায়ক কামার শিল্পীদের উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়েনি।

অনেকে টিকতে না পেরে এ পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকলেও পূর্বপুরুষের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কাজ করে যাচ্ছি।এ শিল্প টিকিয়ে রাখতে হলে দরকার সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By Theme Park BD