1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
কলিজা খেলে কি হয় - দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাদুরতলা স্পোর্টিং ক্লাবের শুভ উদ্বোধন ঝালকাঠির বাসন্ডা ব্রীজটি বার্ধক্যের ভারে যেন মরন ফাঁদ সদরপুরে মৎস্য আইনে মোবাইল কোর্ট,বাধ সহ ২৭ টি চায়না দোয়ারি ধ্বংস  রায়পুরে ডাকাতিয়া নদী পরিস্কার কর্মসূচীর উদ্বোধন সদরপুরে ৪ কেজি গাঁজা সহ ব্যবসায়ী কে আটক করেছে ডি বি পুলিশ  চীনের সাথে ৭টি প্রকল্প ও ২১ একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী ঝালকাঠিতে মাছ ধরার ফাঁদ তৈরীতে ব্যস্ত কারিগররা। চীন সফর শেষে বুধবার দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্নফাঁস:পিএসসির ৩ কর্মকর্তাসহ ১০ জন কারাগারে কোটা নিয়ে সব পক্ষের বক্তব্য শুনে ন্যায়বিচার করবে আদালত: আইনমন্ত্রী

কলিজা খেলে কি হয়

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪

 36 বার পঠিত

প্রাণীর দেহের যেসকল অংশগুলো আমরা খেয়ে থাকি কলিজা তার মধ্যে একটি অন্যতম। কলিজা খাবার হিসেবে গ্রহণ করার ফলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন উপকার সাধিত হয়ে থাকে। খাদ্য হিসেবে কলিজা আমাদের শরীরের কোন কোন ধরনের উপকার করে থাকে আসুন আমরা তা জানার চেষ্টা করি। রক্ত মানব শরীরের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। রক্তহীন কোনও মানুষ বাচতে পারে না। আর এই রক্ত তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে আয়রন। এই আয়রন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে গরু, ছাগল বা ভেড়ার কলিজায়। রক্তের প্রধান উপাদানের নাম লোহিত রক্ত কণিকা (আরবিসি)। এই কণিকার পরিমাণ বৃদ্ধি ও পুষ্ট করার জন্য আয়রনের গুরুত্ব অপরিহার্য। আর শরীরের আয়রন বৃদ্ধিতে কলিজা খাওয়া বিশেষ উপকারী। বড় কোনও অপারেশনের পর, প্রচুর রক্তক্ষরণের পর, গর্ভাবস্থায়, সন্তান জন্মদান বা মাতৃদুগ্ধ দানকালীন সময়ে কলিজা খাওয়া যথেষ্ট উপকারী। তবে হৃৎপিণ্ডের বাইপাস সার্জারি বা রিং পরানো, উচ্চ রক্তচাপ জনিত রক্তক্ষরণের পরে কলিজা খাওয়া ঠিক নয়। কারণ, এতে দেহে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। শিশু থেকে ৪০ বছর বয়স্ক মানুষের জন্য যথেষ্ট দরকারি খাদ্য উপাদান হলো কলিজা। কলিজায় ভিটামিন ‘এ’এবং আমিষ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। এই উপাদানগুলো দেহের বর্ধনের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। কলিজায় আরও রয়েছে উচ্চমাত্রার ভিটামিন বি-সিক্স। কলিজার ভিটামিন ‘এ’ শীতকালীন ঠাণ্ডা-কাশির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে । আমাদের শরীরের শিরা-উপশিরার ভেতর দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়। কলিজার কোলাজেন ও ইলাস্টিন নামের উপকরণ এই শিরা- উপশিরার দেয়ালকে প্রসারিত করে । ফলে রক্ত প্রবাহ সহজ হয়। সেলেনিয়াম নামের আরও একটি জরুরি উপাদান আছে এই কলিজায়। সেলেনিয়াম হ্রাস করে ক্লোন ক্যানসারের পরিমাণ। এছাড়াও সেলেনিয়াম শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ইনফেকশন, শরীরের জয়েন্টে ব্যথা, কৃমির পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। আমাদের শরীরে ঠাণ্ডা জনিত জ্বর, টনসিলাইটিস, সর্দি সৃষ্টিকারী ভাইরাস নামক জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে জিংক। কলিজায় রয়েছে মাত্রা অতিরিক্ত পরিমাণে জিংক। তাই শরীরের জিংকের চাহিদা মেটানোর জন্য কলিজা খাওয়া খুবই জরুরী। ছোটদের জন্য মুরগির কলিজাও উপকারী। শিশু থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত বয়সীদের নিয়মিত কলিজা খাওয়া উচিত। বয়স ৪০ অতিক্রম করলে কলিজা না খাওয়ায় উত্তম, আর যদি খেতেই হয় তবে অল্প পরিমাণে দীর্ঘ দিন পর পর। যাদের উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস আছে বা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি এমন ব্যক্তিদের জন্য কলিজা খাওয়া উচিত না। সঠিক বয়সে পরিমাণ মতো নিয়মিত কলিজা খেলে আমাদের শরীরের সুস্থতায় বিশেষ অবদান রাখে

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২২-২০২৩ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park